প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিলেটে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আকাখাজানা গ্রামের কৃতী সন্তান এম এ সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শোক ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায় সিলেট নগরীর উপশহরের ওয়ালটন প্লাজায় বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি, সিলেটের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি ডা. ফয়েজ আহমদের সভাপতিত্বে এবং জুবায়ের আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা তিনজনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বক্তারা বলেন, এমন বর্বর হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্তও সভায় গৃহীত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক কবির খান, জমশেদ আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও বিয়ানীবাজার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুদ দাইয়ান, সমিতির কোষাধ্যক্ষ কবির আহমদ সিদ্দিকী, প্রচার সম্পাদক সোলেমান আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ময়নুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক রাজ্জাকুজ্জামান চৌধুরী, সৈয়দ নবিব আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক এ এফ এম কামরুল আনাম চৌধুরী, মাহবুব আহমদ মুক্তা, আবুল ফজল মো. আরিফ, ইসমত ইবনে ইসহাক সানজিদ প্রমুখ।
সভা শেষে সমিতির সভাপতি ডা. ফয়েজ আহমদের নেতৃত্বে নেতৃবৃন্দ মরহুম এম এ সাত্তারের বাসভবনে গিয়ে তাঁর ছেলে আরিফ ইফতেখারসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং যেকোনো প্রয়োজনে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, ৮২ বছর বয়সী এম এ সাত্তার, তাঁর ৭২ বছর বয়সী স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং ২২ বছর বয়সী গৃহকর্মী তাহমিনা সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এম এ সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে সিলেট নগরীতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন। তাঁর তিন কন্যা ও একমাত্র পুত্র প্রবাসে অবস্থান করছেন।