বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আবর্জনার স্তূপ পেরিয়ে জাতীয় স্বীকৃতি: খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পদকজয়ের গল্প রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার: ঋণ পরিশোধ, নাকি শিক্ষায় বিনিয়োগ? ইতালি থেকে দেশে ফেরার পথে জর্জিয়ায় প্রবাসী ফখরুল’র মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬ এ শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেল খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিয়ানীবাজারে শাহজালাল সমবায়ে আমানত কেলেংকারী : অর্থ ফেরতের দাবিতে মামলা, গ্রেপ্তার-২ বিয়ানীবাজারে সরকারি-বেসরকারি বৃত্তি পেল ১৩৩ শিক্ষার্থী, সাফল্যের শীর্ষে ছাত্রীরা খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ২৮ বছরের সেবাযাত্রার গর্ব ও স্মৃতির আলপনা অবাধ্যতার মূল্য: নিরাপদ হোক সন্তানের ভবিষ্যৎ এক মাসেও বিয়ানীবাজাররের রুপক মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি সম্প্রীতি ও জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতির

সিলেট-৬ আসনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত তরুণ নেতা হাফিজ ফখরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে পাল্টে যেতে পারে ভোটের সমীকরণ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ আসনে শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের তরুণ ও মানবিক প্রার্থী হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম। বিএনপি’র সঙ্গে জমিয়তের আসন সমঝোতার ফলে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন—এমন আলোচনায় ভোটের রাজনীতি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
মঙ্গলবার বিএনপি ও জোট শরিক বাংলাদেশ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মধ্যে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়। এতে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে মাত্র চারটি আসন পায় জমিয়ত। এর মধ্যে সিলেট বিভাগের একটি আসন—সিলেট-৫। সেখানে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন।

তবে জমিয়তের স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ছিল সিলেট-৬ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম জোটের প্রার্থী হবেন। কিন্তু আসন সমঝোতায় সিলেট-৬ জমিয়তের ভাগে না আসায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

গত এক বছর ধরে সিলেট-৬ আসনের অন্তর্গত দুই উপজেলার প্রান্তিক জনপদে বিরামহীনভাবে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম। নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে নিজ অর্থায়নে শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের রাস্তা সংস্কার করেছেন তিনি। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি তৈরি হয়েছে আস্থার শক্ত ভিত্তি।

মানবিক সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ এবং সরাসরি জনগণের পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া এই ভালোবাসাই তাঁকে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর সিলেট-৬ আসনে ভিন্নমাত্রার উন্নয়ন ভাবনা ও সাধারণ মানুষের দুর্দশা দূর করতে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম বলেন,

“মানুষের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি, সেই ঋণ আমি পরিশোধ করবো। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। সে জন্য দল থেকে মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। এটি আমার সিদ্ধান্ত—পেছনে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

সব মিলিয়ে, হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিলে সিলেট-৬ আসনে ভোটের মাঠের সমীকরণ পুরোপুরি পাল্টে যেতে পারে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও ভোটাররা।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews