
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতির নবগঠিত কার্যকরী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, গ্রামের সার্বিক উন্নয়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
নবগঠিত কার্যকরী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গুলজার আহমদ রাহেল-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রবীণ মুরব্বি মো. হাবীবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও লেখক মো. আতাউর রহমান, সাবেক কমিশনার মো. ফখরুল ইসলাম, সমাজসেবী আবু বক্কর, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক আবু নাসের পিন্টু, ব্যবসায়ী মহি উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি নজমুল হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান নাবিল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, কোষাধ্যক্ষ মাসুক আহমদ, সাহিত্য, সহ-সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা সম্পাদক রাজু আহমদ, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক হাফিজ লুৎফুর রহমান, সহ-স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক জামাল আহমদ, শিল্প ও কৃষি সম্পাদক শাহ আলম, সহ-শিল্প ও কৃষি সম্পাদক আব্দুল মান্নান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, হিসাব নিরীক্ষক শামীম আহমদ, দপ্তর ও গ্রন্থাগার সম্পাদক কাওছার আহমদ সুমন এবং সহ-দপ্তর ও গ্রন্থাগার সম্পাদক আবুল হোসেনসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতি কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক মতাদর্শের সংগঠন নয়; এটি সমগ্র শ্রীধরা গ্রামের মানুষের একটি অরাজনৈতিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। সমিতির সকল কার্যক্রম সংঘবিধির আলোকে পরিচালিত হবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক কর্মকাণ্ডকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক পরামর্শকে সর্বদা স্বাগত জানানো হবে। তবে যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার, বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে পারে—এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। কোনো বিষয়ে মতামত বা প্রশ্ন থাকলে তা সমিতির সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার জন্য গ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, অদূর ভবিষ্যতে সর্বস্তরের গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, পরিবেশ সংরক্ষণ, মানবিক সহায়তা এবং যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নে ধারাবাহিক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সমিতির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম নিয়মিতভাবে গ্রামবাসীর সামনে তুলে ধরার বিষয়েও সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, শ্রীধরার উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষা করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন বিভেদ নয়, বরং সংলাপ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি করে। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে গ্রামের কল্যাণে কাজ করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।