বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মডেল মসজিদ নিয়ে বিতর্ক নয়, চাই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত ও দ্রুত বাস্তবায়ন ৪৭ কোটি টাকায় বিয়ানীবাজার-সারপার-গঁজুকাটা সড়কের উন্নয়ন শুরু বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে নাগরিক কমিটি গঠন এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা আর অনিশ্চয়তায় নয়—১৫ আগস্ট থেকে নতুন উদ্যোগ বিয়ানীবাজারের মডেল মসজিদ: জমি নেই, নাকি সদরের জন্য সদিচ্ছা নেই? ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ঘুষখোরের শাসন ও লুটেরার রাজত্ব: নাগরিক কি শুধু দর্শক? ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি: গুজবের আড়ালে কী বলছে আইন ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন, বিজয়ের দিন’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এক হাদীকে হত্যা করে আন্দোলন থামানো যাবে না, লক্ষ হাদী জন্ম নেবে: সিলেটের ডিসি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, যারা মনে করে একজন হাদীকে হত্যা করলে জুলাই আন্দোলন নস্যাৎ করা যাবে, তারা ভুল জায়গায় আছেন। একজন হাদীকে হত্যার মধ্য দিয়েই লক্ষ হাদী এই বাংলাদেশে জন্ম নেবে। একইসঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তির ঐক্যবদ্ধ থাকাই হোক আজকের দিনের প্রত্যাশা।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) জোহরের নামাজের পর সিলেটের কোর্ট পয়েন্ট কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর গায়েবানা জানাজায় উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জানাজার আয়োজন করে সিলেট জেলা জুলাই যোদ্ধা সংসদ।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের যেকোনো মূল্যে বিচারের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র যাতে আর সংগঠিত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে তৎপর থাকতে হবে। আমরা চাই না, হাদীর মতো আর কোনো নেতা এমন ষড়যন্ত্রের শিকার হোক। অনেক হয়েছে, আর একবারও বরদাশত করা হবে না।
জানাজায় অংশ নেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বিএনপি নেতা সালেহ আহমদ খছরু, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারি ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী, জামায়াত নেতা মো. আশরাফ আলী ফয়সল, এনসিপি নেতা শিব্বির আহমদসহ বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া শিক্ষক, জুলাই যোদ্ধা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের মুসল্লিরা জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শেষে জেলা প্রশাসক সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। আমরা এমন কিছু করব না যাতে সাধারণ মানুষ কষ্ট পায়, সম্পদ বিনষ্ট হয়, নিরীহ মানুষের ক্ষতি হয় কিংবা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। সিলেট সম্প্রীতির শহর—অপরাধী যে-ই হোক, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলেন, যে স্বপ্ন থেকে মানুষ মুক্তির আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, ওসমান হাদী ছিলেন সেই আন্দোলনের একজন অকুতোভয় নেতা। তিনি আধিপত্যবাদবিরোধী রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলেন। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে একটি গোষ্ঠী হত্যা করেছে, যারা নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চায় না। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন—সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে শত শত হাদী এ দেশেই তৈরি হবে।
এ সময় ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয় এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের সহকারী খতিব হাফিজ নুরুল ইসলাম কামাল।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews