শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
স্বপ্নপূরণের অনন্য দৃষ্টান্ত: শ্রীধরার সন্তান ফরহাদ আহমদ লিমন এখন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ অফিসার জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রবাসফেরত যুবকের মৃত্যু এপেক্স ক্লাব অব জুড়ী ভ্যালির ১৭তম পালাবদল অনুষ্ঠিত বক্তৃতা আর হুমকির ঘোরপাকে জাতি কি এগিয়ে যাবে? বাগিরঘাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী বিলাল উদ্দিন আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান আহবাবুর রহমান শিশু সাময়িক বরখাস্ত বিয়ানীবাজারে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ চিত্র বিয়ানীবাজার পৌরসভা: জনআকাঙ্ক্ষা ও আগামীর নেতৃত্বের প্রত্যাশা বেইজিংয়ে তারেক রহমান: আলোচনায় তিস্তা ও বিনিয়োগ সহযোগিতার উদ্যোগ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ বিয়ানীবাজারবাসী

কৈলাশটিলার পুরোনো কূপে নতুন গ্যাসের সন্ধান

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডে আবারও নতুন গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ১ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভার শেষে নতুন স্তরে গ্যাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সিলেট গ্যাসফিল্ডের আওতাধীন কৈলাশটিলায় মোট ৯টি কূপ রয়েছে। এর মধ্যে ১ নম্বর কূপে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় ১৯৬১ সালে। একবার বিরতি দিয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কূপটি সচল ছিল। পরে দেশে পুরোনো কূপগুলোর ওয়ার্কওভার প্রকল্প শুরু হলে সিলেট গ্যাসফিল্ডের ১৪টি কূপের মধ্যে সাতটির কাজ শেষ হয়েছে—এবং সাতটিতেই নতুন গ্যাস মজুদ পাওয়া গেছে।

ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, “গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে। কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।”

বাপেক্স সূত্র জানিয়েছে, প্রায় চার মাস আগে কৈলাশটিলা-১ এ ওয়ার্কওভার শুরু হয়। ২২ হাজার ফুট গভীরে নতুন গ্যাস স্তর শনাক্ত হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে দুই–তিন দিনের মধ্যেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের ৩ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়। বর্তমানে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন কূপ থেকে দৈনিক ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবর মাসে হরিপুরের ৭ নম্বর কূপে ১,২০০ মিটার গভীরে নতুন গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, যেখান থেকে দৈনিক ৭–৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পরীক্ষামূলকভাবে উত্তোলিত হচ্ছে। একই বছরের মে মাসে কৈলাশটিলার ৮ নম্বর কূপেও দৈনিক ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান মেলে।

প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট গ্যাসফিল্ডে একাধিক অনুসন্ধান কূপ ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সব কূপে প্রত্যাশিত ফল মিললে এসজিএফএল একাই জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ করতে পারবে।

১৯৫৫ সালে হরিপুরে দেশের প্রথম গ্যাস আবিষ্কার হয়। বর্তমানে এসজিএফএল-এর অধীনে পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে—হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার। এর মধ্যে ছাতক গ্যাসফিল্ড বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews