বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মডেল মসজিদ নিয়ে বিতর্ক নয়, চাই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত ও দ্রুত বাস্তবায়ন ৪৭ কোটি টাকায় বিয়ানীবাজার-সারপার-গঁজুকাটা সড়কের উন্নয়ন শুরু বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে নাগরিক কমিটি গঠন এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা আর অনিশ্চয়তায় নয়—১৫ আগস্ট থেকে নতুন উদ্যোগ বিয়ানীবাজারের মডেল মসজিদ: জমি নেই, নাকি সদরের জন্য সদিচ্ছা নেই? ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ঘুষখোরের শাসন ও লুটেরার রাজত্ব: নাগরিক কি শুধু দর্শক? ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি: গুজবের আড়ালে কী বলছে আইন ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন, বিজয়ের দিন’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কৈলাশটিলার পুরোনো কূপে নতুন গ্যাসের সন্ধান

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডে আবারও নতুন গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ১ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভার শেষে নতুন স্তরে গ্যাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সিলেট গ্যাসফিল্ডের আওতাধীন কৈলাশটিলায় মোট ৯টি কূপ রয়েছে। এর মধ্যে ১ নম্বর কূপে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় ১৯৬১ সালে। একবার বিরতি দিয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কূপটি সচল ছিল। পরে দেশে পুরোনো কূপগুলোর ওয়ার্কওভার প্রকল্প শুরু হলে সিলেট গ্যাসফিল্ডের ১৪টি কূপের মধ্যে সাতটির কাজ শেষ হয়েছে—এবং সাতটিতেই নতুন গ্যাস মজুদ পাওয়া গেছে।

ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, “গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে। কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।”

বাপেক্স সূত্র জানিয়েছে, প্রায় চার মাস আগে কৈলাশটিলা-১ এ ওয়ার্কওভার শুরু হয়। ২২ হাজার ফুট গভীরে নতুন গ্যাস স্তর শনাক্ত হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে দুই–তিন দিনের মধ্যেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের ৩ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়। বর্তমানে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন কূপ থেকে দৈনিক ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবর মাসে হরিপুরের ৭ নম্বর কূপে ১,২০০ মিটার গভীরে নতুন গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, যেখান থেকে দৈনিক ৭–৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পরীক্ষামূলকভাবে উত্তোলিত হচ্ছে। একই বছরের মে মাসে কৈলাশটিলার ৮ নম্বর কূপেও দৈনিক ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান মেলে।

প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট গ্যাসফিল্ডে একাধিক অনুসন্ধান কূপ ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সব কূপে প্রত্যাশিত ফল মিললে এসজিএফএল একাই জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ করতে পারবে।

১৯৫৫ সালে হরিপুরে দেশের প্রথম গ্যাস আবিষ্কার হয়। বর্তমানে এসজিএফএল-এর অধীনে পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে—হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার। এর মধ্যে ছাতক গ্যাসফিল্ড বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews