পঞ্চখণ্ড আই অনলাইন প্রতিবেদক :
বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম পল্লবকে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বাটেরা থানা পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে রোগী দেখতে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাকে বিয়ানীবাজার থানায় নিয়ে আসার কথা থাকলেও সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাটেরা থানা পুলিশের কাছ থেকে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর তাকে বিয়ানীবাজারে না এনে সরাসরি সিলেট আদালতে তোলা হতে পারে। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।
বিয়ানীবাজার থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, রোববার দুপুর ২টার দিকে বাটেরা থানা পুলিশের কাছ থেকে আবুল কাশেম পল্লবকে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে তাকে বিয়ানীবাজারে না এনে সরাসরি সিলেট আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির বলেন, শনিবার রাত ১১টার দিকে বাটেরা থানা পুলিশ আবুল কাশেম পল্লবকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় চারটিসহ মোট ২০টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাশেম পল্লবের বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় চারটি মামলাসহ পার্শ্ববর্তী গোলাপগঞ্জ ও সিলেটের বিভিন্ন থানায় আরও মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিয়ানীবাজার থানায় তার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা দায়ের করা হয়। একই বছরের ২০ আগস্ট তারক হত্যা মামলায় তাকে আসামি করে মামলা করেন তার মাতা। এরপর ২৬ আগস্ট আরও দুটি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়।
সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট বিয়ানীবাজার থানায় পল্লবকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় পল্লব ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের আরও ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর পল্লবকে বিয়ানীবাজারে নিয়ে আসা হবে—এমন আলোচনা থাকলেও সর্বশেষ পরিস্থিতিতে সরাসরি সিলেট আদালতে হাজির করার বিষয়টিই জোরালো হয়েছে।