বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
“আগে যোগ-বিয়োগ ও বাংলা পড়া শিখান, না পারলে ব্যবস্থা” — প্রাথমিক শিক্ষায় প্রতিমন্ত্রীর এক মাসের আল্টিমেটাম পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ঘিরে উত্তাল বিয়ানীবাজার গ্রামের রাজনৈতিক লোডশেডিং ও লৌকিকতা ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু: আবেদন চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, স্বাস্থ্যগত কারণে ৭ শ্রেণির ব্যক্তি হজে যেতে পারবেন না জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন ৩১ জুলাই : সিলেটে তোফায়েল খানের ভোট প্রার্থনা শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতি শক্তিশালী হলে শক্তিশালী হবে গ্রাম: কৃতী সন্তান ড. খালেদ আহমেদ জাতীয় স্বীকৃতির আনন্দে মুখর খাসা: এমপি এমরানের একাধিক উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি জনসংখ্যা দ্বিগুণ, জনবল সেই ১৯৮৪-এর: সংকটে বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি বিয়ানীবাজার থানায় হয়রানি হতে দেব না, আইন সবার জন্য সমান: জনআস্থার প্রতীক হিসেবে থানাকে গড়ে তোলার অঙ্গীকার নবাগত ওসির

“আগে যোগ-বিয়োগ ও বাংলা পড়া শিখান, না পারলে ব্যবস্থা” — প্রাথমিক শিক্ষায় প্রতিমন্ত্রীর এক মাসের আল্টিমেটাম

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই অনলাইন ডেস্ক :

প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অবশ্যই যোগ-বিয়োগ এবং বাংলা পড়ায় দক্ষ হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ দক্ষতা নিশ্চিত করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যোগ-বিয়োগ পারার কথা। যদি তারা না পারে, তাহলে সবাইকে একসঙ্গে একটি ক্লাসে নিয়ে যোগ-বিয়োগ শেখাবেন। এক মাসের জন্য অন্য সবকিছু ভুলে যান। ক্যালকুলেশন, ফ্র্যাকশন—সব পরে হবে; আগে যোগ-বিয়োগ শেখান।”

তিনি আরও বলেন, “একইভাবে যারা বাংলা পড়তে পারে না, তাদেরও একসঙ্গে নিয়ে আসবেন। এখানে কার বয়স কত, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—শিক্ষার্থীটি শিখছে কি না।”

রেমিডিয়াল ক্লাস নিয়ে প্রচলিত ধারণারও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “আমি রেমিডিয়াল ক্লাস বলতে অতিরিক্ত সময় বুঝাচ্ছি না। নিয়মিত ক্লাস শেষে আবার আলাদা করে পড়ানো হবে—এটা নয়। নির্ধারিত ক্লাসের সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে হবে।”

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আগামীকাল থেকেই আপনারা রিভিউ করবেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিইও) বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিও) তা কঠোরভাবে তদারকি করবেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর আমি ডিপিওর কাছ থেকে প্রতিটি বিদ্যালয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে রিপোর্ট নেব।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি এক মাস পর রিপোর্ট চাই। কোনো শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীদের শেখাতে না পারেন, তাহলে তিনি সাসপেন্ডেড হবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম এই আপস্কেলিং নিশ্চিত করতে না পারলে তার দায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষককেই নিতে হবে।”

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews