মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিয়ানীবাজার মডেল মসজিদ: এক সপ্তাহের মধ্যে স্থান নির্ধারণ হলে উপজেলা সদরেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আশ্বাস: এমপি এমরান চৌধুরী UNB বেস্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ডে মিলাদ মোহাম্মদ জয়নুল ইসলামকে অভিনন্দন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি এগিয়ে আসছে, একবারই আবেদনের প্রস্তাব এমপি মহোদয়ের টেলিফোন বার্তায় কর্মসূচি পরিবর্তন: মডেল মসজিদ নিয়ে মতবিনিময় সভা কাল ২৪ আগস্ট বাদ মাগরিব বিয়ানীবাজার মডেল মসজিদ নিয়ে এমপির সঙ্গে নাগরিক উদ্যোগের বৈঠক পতাকা বদলায়, চরিত্র বদলায় না ওমরাহযাত্রায় বাধা: সিলেট বিমানবন্দরে আসলে কী ঘটেছিল? যে সত্যের কাছে সবাই পরাজিত ২৫৫ ভোটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল শূন্য থেকে দশ : মানুষ, রাষ্ট্র ও বিনয়ের গণিত

সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪১৯ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খান মো. রেজা-উন-নবী এই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি জনকল্যাণমূলক এই প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষের বাসস্থান বিয়ানীবাজার উপজেলার জন্য স্থলপথই প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। এখানে রেলপথ নেই, নৌপথও এখন প্রায় অচল। ফলে সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়কটি বিয়ানীবাজারসহ গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ ও বড়লেখার মানুষদের সিলেট শহরের সঙ্গে সংযোগ রক্ষার প্রধান মাধ্যম। এই বাস্তবতায় ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল একনেক সভায় ৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ককে চারলেনের মহাসড়কে উন্নীত করার জন্য প্রায় ৪ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এতে বিশ্বব্যাংক দিয়েছে ২ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকার ঋণ।

প্রকল্পের আওতায় আরও থাকছে অতিরিক্ত ২টি সার্ভিসলেন, ৩টি সেতু, ৩১টি কালভার্ট, ১টি ফ্লাইওভার, ৪টি ফুট ওভারব্রিজ, ৬টি ওভারপাস, ২টি আন্ডারপাস, ৭টি ফুটপাত এবং ১টি টোলপ্লাজা। বিশেষভাবে কুশিয়ারা নদীর ওপর ৬০ মিটার দীর্ঘ, ২১ মিটার প্রশস্ত ও ৪০ মিটার উঁচু নতুন একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনাও এতে রয়েছে।

সমিতির সভাপতি ডা. এম ফয়েজ আহমদ বলেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ সালের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণসহ একাধিক কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জুবায়ের আহমেদ খান বলেন, শেওলা স্থলবন্দর বাংলাদেশের অন্যতম চালু ১৬টি বন্দরের একটি। এখান থেকে সিমেন্টসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে রপ্তানি হয় এবং বিপরীতে ভারত থেকে পাথর ও ফলসহ নানা পণ্য আমদানি হয়। প্রতিদিন প্রায় ২০০ ট্রাক চলাচল করে এই সড়কে। তাই এই মহাসড়কটির সময়মতো বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

বক্তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন না হলে স্থানীয় জনগণ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে পারে। তাই সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করে প্রকল্প বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয় স্মারকলিপিতে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews