1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ: শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও অনলাইন ডাটাবেজ গঠনের পরিকল্পনা বিয়ানীবাজারে এসএসসি-দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনেই চাঞ্চল্য: ৩ ছাত্রী উধাও শ্বালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন ২ জুলাই থেকে শুরু এইচএসসি ২০২৬: পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা, শিগগিরই রুটিন প্রকাশ বিয়ানীবাজারের কৃতি সন্তান আবুল কাহের চৌধুরী শামীমকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানালেন ইউএনও উম্মে হাবিবা মজুমদার বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল: উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ঝুঁকি ৭ জুন থেকে শুরু হতে পারে এইচএসসি পরীক্ষা: সব বোর্ডে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র বিয়ানীবাজারে ‘সময়চিত্র’র ব্যতিক্রমী ঈদ পুনর্মিলনী: সম্প্রীতি, ঐক্য ও পেশাগত বন্ধনের অনন্য মিলনমেলা অবসরের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা: অনলাইন জটিলতাসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুমাত্রিক ভোগান্তি, শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

ভিন্ন পরিবেশে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধান উপদেষ্টার

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক : ভিন্ন এক পরিবেশে নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম নববর্ষ। বদলে যাওয়া বাংলাদেশে ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে সম্প্রীতির বন্ধনের বছর হিসেবে। সব মত, পথ ও সম্প্রদায়ের ভেদাভেদ ভুলে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আকাঙ্খা সর্বত্র।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রোববার (১৩ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

আজ সোমবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা বর্ষ ১৪৩২ সালের প্রথম দিন।

প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় জাতিকে উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে বলেন, শুভ নববর্ষ ১৪৩২। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এটি বাঙালির ঐক্য ও মহাপুনর্মিলনের দিন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি নববর্ষকে নবচেতনা এবং নতুন অঙ্গীকারের সঙ্গে গ্রহণ করে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দিনে মানুষ বিগত বছরের দুঃখ, বোঝা ও হতাশাকে দূরে সরিয়ে রেখে সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব, আনন্দ ও ভালোবাসার চেতনায় একত্রিত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন শুরু হয়েছিল। কৃষিকাজ সহজতর করার জন্য তিনিই বাংলা বছরকে ‘ফসলি বছর’ হিসেবে গণনা শুরু করেছিলেন। এটি একটি ঐতিহ্য যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত বাঙালির জন্য ধর্মনিরপেক্ষ ঐক্যের চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর সময় আসুন আমরা অতীতের দুঃখ, কষ্ট ও দুর্ভাগ্যকে পেছনে ফেলে নতুন আশা ও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে যাই। ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সকল প্রকার বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ খুলে দিয়েছে। এটি আমাদেরকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সুখী, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও প্রাণবন্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট