মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু: আবেদন চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, স্বাস্থ্যগত কারণে ৭ শ্রেণির ব্যক্তি হজে যেতে পারবেন না জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন ৩১ জুলাই : সিলেটে তোফায়েল খানের ভোট প্রার্থনা শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতি শক্তিশালী হলে শক্তিশালী হবে গ্রাম: কৃতী সন্তান ড. খালেদ আহমেদ জাতীয় স্বীকৃতির আনন্দে মুখর খাসা: এমপি এমরানের একাধিক উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি জনসংখ্যা দ্বিগুণ, জনবল সেই ১৯৮৪-এর: সংকটে বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি বিয়ানীবাজার থানায় হয়রানি হতে দেব না, আইন সবার জন্য সমান: জনআস্থার প্রতীক হিসেবে থানাকে গড়ে তোলার অঙ্গীকার নবাগত ওসির শ্রীধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি প্রস্তুতি বিষয়ক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শাহজালাল সমবায়ে ঋণের অর্থ আটকে থাকার দাবি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির; অর্থ ফেরতের অপেক্ষায় হাজারো আমানতকারী যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর ভিসা নীতি: পড়াশোনা শেষে দেশ ছাড়তে সময় মাত্র ৩০ দিন

ভিন্ন পরিবেশে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধান উপদেষ্টার

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক : ভিন্ন এক পরিবেশে নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম নববর্ষ। বদলে যাওয়া বাংলাদেশে ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে সম্প্রীতির বন্ধনের বছর হিসেবে। সব মত, পথ ও সম্প্রদায়ের ভেদাভেদ ভুলে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আকাঙ্খা সর্বত্র।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রোববার (১৩ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

আজ সোমবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা বর্ষ ১৪৩২ সালের প্রথম দিন।

প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় জাতিকে উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে বলেন, শুভ নববর্ষ ১৪৩২। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এটি বাঙালির ঐক্য ও মহাপুনর্মিলনের দিন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি নববর্ষকে নবচেতনা এবং নতুন অঙ্গীকারের সঙ্গে গ্রহণ করে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দিনে মানুষ বিগত বছরের দুঃখ, বোঝা ও হতাশাকে দূরে সরিয়ে রেখে সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব, আনন্দ ও ভালোবাসার চেতনায় একত্রিত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন শুরু হয়েছিল। কৃষিকাজ সহজতর করার জন্য তিনিই বাংলা বছরকে ‘ফসলি বছর’ হিসেবে গণনা শুরু করেছিলেন। এটি একটি ঐতিহ্য যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত বাঙালির জন্য ধর্মনিরপেক্ষ ঐক্যের চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর সময় আসুন আমরা অতীতের দুঃখ, কষ্ট ও দুর্ভাগ্যকে পেছনে ফেলে নতুন আশা ও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে যাই। ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সকল প্রকার বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ খুলে দিয়েছে। এটি আমাদেরকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সুখী, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও প্রাণবন্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews