বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার: ঋণ পরিশোধ, নাকি শিক্ষায় বিনিয়োগ? ইতালি থেকে দেশে ফেরার পথে জর্জিয়ায় প্রবাসী ফখরুল’র মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬ এ শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেল খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিয়ানীবাজারে শাহজালাল সমবায়ে আমানত কেলেংকারী : অর্থ ফেরতের দাবিতে মামলা, গ্রেপ্তার-২ বিয়ানীবাজারে সরকারি-বেসরকারি বৃত্তি পেল ১৩৩ শিক্ষার্থী, সাফল্যের শীর্ষে ছাত্রীরা খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ২৮ বছরের সেবাযাত্রার গর্ব ও স্মৃতির আলপনা অবাধ্যতার মূল্য: নিরাপদ হোক সন্তানের ভবিষ্যৎ এক মাসেও বিয়ানীবাজাররের রুপক মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি সম্প্রীতি ও জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতির বিয়ানীবাজারে কিশোরী রিয়া হত্যা: পলাতক বাবা গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি: ডায়াবেটিস বা স্থূলতায় প্রবেশে বাধা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদনকারীদের মধ্যে যাদের ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাদের ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে— এমন নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত এই নীতিমালা ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত আবেদনকারীরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে “পাবলিক চার্জ” বা অর্থনৈতিক বোঝায় পরিণত হতে পারেন এবং সরকারি সম্পদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন। তাই ভিসা প্রদানের আগে তাদের চিকিৎসা ব্যয় বহনের সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

আগে ভিসা মূল্যায়নের সময় সংক্রামক রোগ, টিকাদানের ইতিহাস, মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক সুস্থতা দেখা হতো। কিন্তু নতুন নীতিতে হৃদ্‌রোগ, শ্বাসযন্ত্র, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, মেটাবলিক, স্নায়বিক ও মানসিক অসুস্থতাকেও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নেওয়া হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর আজীবন চিকিৎসা ব্যয় বহনের মতো আর্থিক সামর্থ্য আছে কি না, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য— যেমন প্রবীণ অভিভাবক বা সন্তানদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা বিশেষ যত্নের প্রয়োজন— সেগুলোকেও বিবেচনা করা হবে।

ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্কের সিনিয়র অ্যাটর্নি চার্লস হুইলার বলেন, এই নীতিটি সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও মূলত স্থায়ী বসবাসের (পারমানেন্ট রেসিডেন্সি) আবেদনকারীদের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়বে। তাঁর মতে, চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ভিসা কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া উদ্বেগের বিষয়, কারণ তারা চিকিৎসক নন এবং এ বিষয়ে তাদের কোনো পেশাগত অভিজ্ঞতা নেই।

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিবাসন আইনজীবী সোফিয়া জেনোভেসের ভাষায়, “এই নির্দেশনা ভিসা কর্মকর্তাদের আবেদনকারীদের চিকিৎসা ইতিহাস বিশ্লেষণ করে তাদের চিকিৎসা ব্যয় ও কর্মক্ষমতা যাচাই করতে উৎসাহিত করবে— যাতে বোঝা যায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন কি না।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই নির্দেশিকা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুলবে, বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ও নিম্ন-আয়ের আবেদনকারীদের জন্য।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews