1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ওসি’র শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি বনাম জনআস্থা: বিয়ানীবাজারের মানুষের প্রশ্ন পল্লবীর আলোচিত শিশু নির্যাতন মামলায় মৃত্যুদণ্ড: মাত্র ১৭ দিনে বিচার সম্পন্ন, নজির স্থাপন করল আদালত ছয় দফার প্রথম শহীদ, পঞ্চখণ্ডের গর্ব মনু মিয়া বিয়ানীবাজারে তিন মৃত্যু, অমীমাংসিত অসংখ্য প্রশ্ন বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ : শুরু হবে অবসরভাতা কার্যক্রম তাওহীদা জান্নাতের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড়: দায়েরকৃত অভিযোগ প্রত্যাহার, তদন্ত চলমান সফল নারী ও সার্থক পুরুষ: একটি সুখী পরিবারের সাতকাহন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিয়ানীবাজার উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মিনা— শুরু হলো পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা

পল্লবীর আলোচিত শিশু নির্যাতন মামলায় মৃত্যুদণ্ড: মাত্র ১৭ দিনে বিচার সম্পন্ন, নজির স্থাপন করল আদালত

পঞ্চখণ্ড আই অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকার চাঞ্চল্যকর ও দেশব্যাপী আলোচিত শিশু নির্যাতন ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্বপ্না খাতুনকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালত তাদের যথাক্রমে ৫ লাখ ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।

রোববার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এক জনাকীর্ণ আদালতে এই বহুল প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আদায়কৃত জরিমানার অর্থ ভিকটিমের আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রদান করা হবে। এ লক্ষ্যে আসামিদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে পল্লবীতে সংঘটিত নির্মম ও হৃদয়বিদারক ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে পল্লবী থেকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত সংস্থা দ্রুততার সঙ্গে ফরেনসিক আলামত, ডিএনএ রিপোর্ট এবং ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১ জুন অভিযোগ গঠনের পর মাত্র দুই কার্যদিবসে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত আজ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

তদন্ত থেকে রায় পর্যন্ত সমগ্র বিচারিক প্রক্রিয়া মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় এটি দেশের বিচারিক ইতিহাসে অন্যতম দ্রুততম বিচার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই রায় শুধু অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করেনি, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, শিশু সুরক্ষা এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রমের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

জনমনে প্রত্যাশা, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে আদালতের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে অপরাধ প্রবণতা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে ন্যায়বিচার পাওয়ার আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট