মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মডেল মসজিদ নিয়ে বিতর্ক নয়, চাই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত ও দ্রুত বাস্তবায়ন ৪৭ কোটি টাকায় বিয়ানীবাজার-সারপার-গঁজুকাটা সড়কের উন্নয়ন শুরু বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে নাগরিক কমিটি গঠন এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা আর অনিশ্চয়তায় নয়—১৫ আগস্ট থেকে নতুন উদ্যোগ বিয়ানীবাজারের মডেল মসজিদ: জমি নেই, নাকি সদরের জন্য সদিচ্ছা নেই? ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ঘুষখোরের শাসন ও লুটেরার রাজত্ব: নাগরিক কি শুধু দর্শক? ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি: গুজবের আড়ালে কী বলছে আইন ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন, বিজয়ের দিন’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী : প্রবাসে বেড়ে ওঠা এক নেতৃত্বের স্বপ্ন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৭০ বার পড়া হয়েছে

উপসম্পাদকীয় কলাম | পঞ্চখণ্ড আই.কম
✍️ আতাউর রহমান

প্রবাস জীবনের বৈচিত্র্য, অভিজ্ঞতা আর দৃঢ় প্রত্যয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একাধারে আইনজীবী, সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে—এমনই একজন নাম ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী। কিন্তু তাঁর পরিচয় এখানেই থেমে থাকে না। শিকড়ের টানে বারবার ফিরে আসেন বিয়ানীবাজারের মানুষের কাছে, চারখাইয়ের সরল মাটির গন্ধে। সাধারণ মানুষের ভেতর তাঁকে ঘিরে জন্ম নিচ্ছে এক সম্ভাবনার স্বপ্ন—একজন পরিশীলিত, আধুনিক ও যোগ্য নেতৃত্বের স্বপ্ন।

১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার আদিনাবাদ গ্রামে জন্ম নেন আবুল কালাম চৌধুরী। শিক্ষাজীবনের গোড়াপত্তন চারখাইয়ের হাজি আব্দুল আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, পরে তিনি পড়াশোনা করেন খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যানিকেতন, পিএইচজি হাই স্কুল, বিয়ানীবাজার কলেজ এবং এমসি কলেজে। এখানেই গড়ে ওঠে তাঁর নেতৃত্বের বীজ। কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া, বিজ্ঞান প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া এবং সিলেট কলেজে জিএস পদে নির্বাচন করার মতো সাহসী পদক্ষেপ তাঁকে এক সক্রিয় ছাত্রনেতায় পরিণত করে।

আইনের প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকেই যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান এবং সেখানেই তিনি গড়ে তোলেন তাঁর পেশাগত ভিত্তি। ইউনিভার্সিটি অব ওলভারহ্যাম্পটনে এলএলবি (অনার্স), লিংকনস ইন থেকে বার-এট-ল পাস এবং পরবর্তীতে সলিসিটার হিসেবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের আইন প্রতিষ্ঠান KC Solicitors।

তবে ব্যারিস্টার কালাম চৌধুরী কেবল আইনজীবী নন—তিনি একজন সংগঠক, চিন্তাবিদ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ নাগরিক। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে তাঁর ভূমিকা, ব্রিটিশ বাংলাদেশি পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্ব এবং সামাজিক সংগঠনে অংশগ্রহণ তাঁকে রাজনৈতিকভাবে প্রজ্ঞাবান ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত করেছে।

প্রশ্ন উঠতেই পারে—এতো কিছু পেরিয়ে একজন প্রবাসী কেন ফিরে তাকান নিজের মাটির দিকে? তার উত্তরে হয়তো এই কথাটিই যথাযথ—”যে মাটিতে শিকড়, সে মাটি কখনো বিস্মৃত হয় না।”

চারখাই, আদিনাবাদ ও বিয়ানীবাজারের মানুষ আজ তাঁর মধ্যে নতুন দিনের সম্ভাবনা খোঁজে। একজন শিক্ষিত, দক্ষ, পরিশীলিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ মানুষ যখন জনসেবার মানসে এগিয়ে আসেন, তখন সেই নেতৃত্ব শুধু প্রয়োজনীয়ই নয়—সময়োপযোগীও।

ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী কোনো জাঁকজমকপূর্ণ প্রচার নয়, বরং কাজের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চাচ্ছেন। শেকড়ের কাছে দায়বদ্ধ এই মানুষটির পথচলা যদি গন্তব্যে পৌঁছে, তাহলে বিয়ানীবাজার তথা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের জন্য তা হতে পারে এক ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা।

শেষ কথা:
নেতৃত্ব শুধু পদ নয়, তা একটি দায়বোধ। আর এই দায়বোধই একজন ব্যারিস্টারকে মানুষ ও মাটির কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। তাঁর সামনে এখন সম্ভাবনার দুয়ার, আর সমাজের সামনে একজন আলোকিত নেতার উন্মোচিত সম্ভাবনা।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews