Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
পঞ্চখণ্ড আই

অসত্যের বিপরীতে পথচলা

পঞ্চখণ্ড আই

অসত্যের বিপরীতে পথচলা

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • কৃষি সংবাদ
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • আইন-আদালত
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • কৃষি সংবাদ
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • আইন-আদালত
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

উপসম্পাদকীয়

প্রতিশোধ নয়—প্রজ্ঞাই সর্বোত্তম জবাব

By পঞ্চখণ্ড আই
নভেম্বর ১৭, ২০২৫ 2 Min Read
০

মানুষ সামাজিক জীব। তাই সম্পর্ক, যোগাযোগ ও সহাবস্থানই আমাদের জীবনের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু এই সম্পর্কের ভিড়েই কখনো–সখনো অপমান, অবজ্ঞা কিংবা তুচ্ছতাচ্ছিল্যের মুখোমুখি হতে হয়। তখন রাগ, ক্ষোভ কিংবা প্রতিশোধের আগুন আমাদের ভেতরে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। মনে হয়—এ মুহূর্তেই জবাব দিতে হবে। কিন্তু সত্য হলো—অপমানের জবাব তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া কখনো সমাধান নয়; বরং তা দ্বন্দ্বকে আরও গভীর করে। বরং ধৈর্য, নীরবতা ও বিবেকের আলোয় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

● অপমানের জবাব দিলে সংঘাত বাড়ে

যখন আমরা উত্তেজনার মুহূর্তে জবাব দিতে যাই, তখন যুক্তি–বুদ্ধি অনেকটাই হারিয়ে যায়। ফলে কথার আঘাত কথাই বাড়ায়। এতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বদলে আরও জটিল হয়। অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায় অপমানের জবাব দিতে গিয়ে—যা আসলে সামান্য ধৈর্যেই রক্ষা পেতে পারত।

উদাহরণ:
একজন সহকর্মী মিটিংয়ে আপনাকে হেয় করল। আপনি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করলেন—কঠোর ভাষায়। ফলাফল? অফিসে সম্পর্কের অবনতি, পরিবেশ উত্তপ্ত, আর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মনে অস্বস্তি। অথচ আপনি যদি শান্ত থাকতেন, পরে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনায় বসতেন—বিষয়টি সহজেই সমাধান করতে পারতেন।

● নীরবতা— সবচেয়ে শক্তিশালী জবাব

নীরবতা দুর্বলতার চিহ্ন নয়। বরং নীরবতা বলে দেয়, আপনি আপনার আবেগের দাস নন—বরং আবেগকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাখেন। অনেক সময় অপমানকারী বিভ্রান্ত হয়ে যায় যখন দেখে, তার কটু কথা আপনাকে থামাতে বা ভাঙতে পারল না।

উদাহরণ:
রাস্তার অযথা বিতর্ক, গাড়ির হর্ন নিয়ে ঝগড়া—এসব পরিস্থিতিতে নীরব থাকাই উত্তম। তর্কে যুক্ত হলে সামান্য কথাকাটাকাটি বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে—যার করুণ উদাহরণ আমরা সংবাদে প্রায়ই দেখি।

● অপমানের জবাব না দিলে মানসিক শক্তি বাড়ে

যে মানুষ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে জানে, তার আত্মবিশ্বাসও বেশি। সে বুঝে যে, কারো অপমান তার মূল্য কমাতে পারে না। বরং নিজের শান্ত থাকা তার চরিত্রকে আরও দৃঢ় করে। মনোবিজ্ঞানে বলা হয়—যে ব্যক্তি অপমানকে ব্যক্তিগত আঘাত মনে না করে, বরং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রতিক্রিয়া দেয়, তার মানসিক স্থিতিশীলতা বেশি।

● ক্ষমা—একটি মহৎ প্রতিশোধ

ক্ষমা মানে অন্যায়ের সমর্থন নয়; বরং নিজের শান্তি রক্ষা করা। ক্ষমা মানুষকে ছোট করে না—বরং মহৎ করে। যে অপমান দেয় সে নিজেই ছোট; কিন্তু যে ক্ষমা করে সে নিজের মর্যাদা আরও উঁচু করে।

উদাহরণ:
একজন বন্ধু মুহূর্তের আবেগে আপনার প্রতি অন্যায় কথা বলল। আপনি যদি তার প্রতি প্রতিশোধ না নিয়ে, বরং তাকে সময় দেন—সে নিজেই বুঝবে ভুলটা। সম্পর্ক থাকবে অটুট, বন্ধুত্ব আরও গভীর হবে।

● নীরব মানেই সমঝোতা নয়

‘অপমানের জবাব দিতে নেই’—তাৎক্ষণিকভাবে নয়। কিন্তু প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে যুক্তিযুক্ত, ভদ্র ও দৃঢ় ভাষায় নিজের অবস্থান জানাতে হবে। নীরবতা কখনো কখনো পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করে; এরপর সঠিক সময়ে কথা বলা কার্যকর সমাধান এনে দেয়।

উদাহরণ:
কারও ভুয়া অভিযোগ বা ভুল তথ্য যদি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ণ করে—তখন নীরব থাকা উচিত মুহূর্তে, তবে পরে তথ্য–প্রমাণ দিয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।

● উপসংহার
অপমানের জবাব তাৎক্ষণিক দিলে তা রাগের ভাষায় হয়; নীরবতায় জবাব দিলে তা বুদ্ধির ভাষায় হয়। সমাজে শান্তি এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা—দুটির জন্যই ধৈর্য অপরিহার্য। কখনো নীরবতা; কখনো যুক্তি—এই দুইয়ের মধ্যেই লুকিয়ে আছে অপমান মোকাবেলার প্রকৃত প্রজ্ঞা। তাই মনে রাখতে হবে—
“অপমানের জবাব সব সময় কথায় দিতে হয় না। কখনো নীরবতাই সর্বোত্তম উত্তর।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Share on Telegram (Opens in new window) Telegram
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

Author

পঞ্চখণ্ড আই

Follow Me
Other Articles
Previous

সিলেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১৩টি যানবাহন ও ২ প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

Next

নানক পরিবারে ৫৭ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ—দুর্নীতির তদন্তে দুদকের বড় পদক্ষেপ

No Comment! Be the first one.

Leave a ReplyCancel reply

স্বত্ব © ২০২৬ | পঞ্চখণ্ড আই
%d