1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিয়ানীবাজারে আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, ক্লাস শুরু ৭ জুন বাগবাড়ী SESDP মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে জমকালো বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিয়ানীবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য জামিলে’র সংবর্ধনা হজ্বযাত্রীদের মাঝে কামাল মাতহুরী রচিত “যিয়ারতে হারামাইন” বই বিতরণ ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত একজন আজীবন স্কাউটার শ্রী লালিত মোহন বিশ্বাসের মৃত্যুতে শোক ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিয়ানীবাজারে আলোচনা বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদানের প্রস্তুতি সভা সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত দিন: ৪৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর সূচনা বিয়ানীবাজারে বাইতুস সালাম জামে মসজিদের পুনঃনির্মাণে ৭০ লক্ষ টাকার আশ্বাস—এম সাব উদ্দিন

শ্রমের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার—মে দিবসের অঙ্গীকার

সম্পাদকীয় বিভাগ
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

আজ ১লা মে—আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। পৃথিবীর সকল শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্যতার সংগ্রামের প্রতীক এই দিনটি। ইতিহাসের দীর্ঘ পথচলায় শ্রমিকরা তাদের ঘাম, শ্রম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে অধিকারগুলো অর্জন করেছেন—তারই স্মারক হয়ে আছে মে দিবস।

১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনের রক্তাক্ত অধ্যায় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—অধিকার কখনো অনায়াসে আসে না, তা আদায় করে নিতে হয় সংগ্রামের মাধ্যমে। সেই সংগ্রামের মূল দাবি ছিল—৮ ঘণ্টা কাজ, ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম, ৮ ঘণ্টা নিজের জন্য। আজও এই স্লোগান প্রাসঙ্গিক, কারণ আধুনিক বিশ্বেও অনেক শ্রমিক ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মে দিবসের তাৎপর্য আরও গভীর। আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি—গার্মেন্টস, নির্মাণ, কৃষি, পরিবহনসহ নানা খাতের শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত কঠোর পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—তাদের শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন কি আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি? কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সময়মতো মজুরি, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষা—এসব মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা এখনো অনেক ক্ষেত্রে অপূর্ণ।

শ্রমিকদের প্রতি সম্মান শুধু একটি দিবস পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। প্রয়োজন কার্যকর নীতিমালা, কঠোর বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরি একটি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা। উন্নয়নের যে সোপান আমরা অতিক্রম করছি, তা যেন শ্রমিকদের বঞ্চনার উপর দাঁড়িয়ে না থাকে—এটি নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব।

পঞ্চখণ্ড অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে, প্রবাসী আয়, কৃষিশ্রম ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মানুষের অবদান অনস্বীকার্য। স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে আমরা একটি টেকসই ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারি।

এই মে দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—শ্রমের মর্যাদা রক্ষা, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি শ্রমিকের জীবনে সম্মান ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা। কারণ, শ্রমিকের ঘামেই গড়ে ওঠে সভ্যতা, আর তাদের হাসিতেই প্রতিফলিত হয় উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট