রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা আর অনিশ্চয়তায় নয়—১৫ আগস্ট থেকে নতুন উদ্যোগ বিয়ানীবাজারের মডেল মসজিদ: জমি নেই, নাকি সদরের জন্য সদিচ্ছা নেই? ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ঘুষখোরের শাসন ও লুটেরার রাজত্ব: নাগরিক কি শুধু দর্শক? ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি: গুজবের আড়ালে কী বলছে আইন ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন, বিজয়ের দিন’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাইয়ের দুই বছর: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি নাকি অপূর্ণতার হিসাব? বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০০ শয্যার নতুন ভবনের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন এমপি এমরান চৌধুরীর দুই দশক ধরে মৃত শিক্ষকের পরিচয়ে সরকারি বেতন উত্তোলনের অভিযোগ: তদন্তের মুখে জামায়াত নেতা আকাদ্দস সিরাজুল ইসলাম : পঞ্চখণ্ডের গর্ব, ইতিহাসের আলোকবর্তিকা

স্কুল-কলেজে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ও ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশনা

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি স্কুল ও কলেজে আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ এবং ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

গত বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়, সরকার প্রতি বছর ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে সাধারণ ছুটিসহ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দিবসটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এছাড়া, ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিবস দু’টি যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে দেশের সব স্কুল-কলেজে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ প্রাসঙ্গিক কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ (৮ আগস্ট) পালন নিয়ে বিতর্কের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ দিবসটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই নতুন দুটি দিবস পালনের উদ্যোগকে ইতিহাসের প্রতি সম্মান জানানোর প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। তবে জাতীয় ঐকমত্য ও ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে কিছু প্রশ্নও উঠছে।

এ বিষয়ে মাউশির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “দিবস উদযাপন প্রসঙ্গে কোনো বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐতিহাসিক সচেতনতা বৃদ্ধিই এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।”

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews