1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রমের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার—মে দিবসের অঙ্গীকার অবসর সুবিধা বোর্ডে স্বচ্ছতা কোথায়—প্রাপ্যতার ন্যায্যতা প্রশ্নের মুখে বিয়ানীবাজারে ইটালী পাঠানোর নামে ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে আত্মগোপনে দুই ভাই: পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ কনকলস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে সম্ভাবনাময় প্রার্থী অ্যাডভোকেট জুবায়ের আহম্মেদ খান শিক্ষাঙ্গনে ন্যক্কারজনক হামলা: শিক্ষক লাঞ্ছিত, নীরব প্রশাসন—ক্ষোভে ফুঁসছে দেশ সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ: শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও অনলাইন ডাটাবেজ গঠনের পরিকল্পনা বিয়ানীবাজারে এসএসসি-দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনেই চাঞ্চল্য: ৩ ছাত্রী উধাও শ্বালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন ২ জুলাই থেকে শুরু এইচএসসি ২০২৬: পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা, শিগগিরই রুটিন প্রকাশ

কলেজ চলাকালীন কোচিং বন্ধে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের কড়া নির্দেশনা

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে কোচিং নির্ভরতা রোধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: সাব্বির আহমদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা—কলেজ চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থী বা শিক্ষক, কেউই কোচিংয়ে যেতে পারবে না। কেউ গেলে তাকে অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য করা হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সম্প্রতি কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে কোচিংয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে—এমন অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলকে সঙ্গে নিয়ে কলেজ চলাকালীন সময়ে পরিচালিত কোচিং সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, “আমার শিক্ষকরা যদি কোচিংয়ে যুক্ত থাকেন, তবে তা করতে পারবেন শুধুমাত্র বিকাল ৪টার পর। কলেজ সময়ের মধ্যে নয়—এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই।”

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুদ দাইয়ান বলেন, “শিক্ষার্থীদের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে কোচিংয়ে যাওয়া এবং কিছু শিক্ষকের এ সময় প্রাইভেট চর্চা নিঃসন্দেহে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হতাশাজনক। এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণের জন্য প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও আত্মনিরীক্ষা প্রয়োজন। অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদের উদ্যোগকে আমরা শিক্ষক সমাজ হিসেবে স্বাগত জানাই এবং এর বাস্তবায়নে আমরা নৈতিক ও পেশাগতভাবে পাশে থাকবো।”

অন্যদিকে, বেশ কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, “যদি স্কুল-কলেজে ক্লাস সঠিকভাবে পরিচালিত হতো, তাহলে আমাদের সন্তানদের কোচিংয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়তো না। তাই একদিকে কোচিং বন্ধ করতে হবে, অন্যদিকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানও নিশ্চিত করতে হবে।”

কোচিং বাণিজ্য প্রসঙ্গে দাসউরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান বলেন, “শিক্ষা একটি সেবামূলক পেশা। যদি এ পেশা বাণিজ্যে পরিণত হয়, তাহলে সমাজের মেরুদণ্ড দুর্বল হয়ে পড়বে। আমি অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদের পদক্ষেপকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। শিক্ষকদের উচিত শ্রেণিকক্ষে সময়মতো উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ পাঠদান নিশ্চিত করা। অভিভাবকদের আর্থিক দুর্ভোগ লাঘব ও শিক্ষার গুণগত মান ধরে রাখতে হলে নীতিনিষ্ঠ শিক্ষক ও প্রশাসনিক তৎপরতার সমন্বয় জরুরি।”

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট