শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ঘুষখোরের শাসন ও লুটেরার রাজত্ব: নাগরিক কি শুধু দর্শক? ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি: গুজবের আড়ালে কী বলছে আইন ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন, বিজয়ের দিন’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাইয়ের দুই বছর: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি নাকি অপূর্ণতার হিসাব? বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০০ শয্যার নতুন ভবনের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন এমপি এমরান চৌধুরীর দুই দশক ধরে মৃত শিক্ষকের পরিচয়ে সরকারি বেতন উত্তোলনের অভিযোগ: তদন্তের মুখে জামায়াত নেতা আকাদ্দস সিরাজুল ইসলাম : পঞ্চখণ্ডের গর্ব, ইতিহাসের আলোকবর্তিকা গুণীজনদের স্মরণে বিয়ানীবাজার সোস্যাল অর্গেনাইজেশনের ভাবগম্ভীর স্মরণসভা ইতিহাসের মুখোমুখি: আগস্টের আয়নায় বাংলাদেশ

বিয়ানীবাজারে প্রশাসক নিয়োগ: কার হাতে উঠছে প্রশাসনের চাবিকাঠি?

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই প্রতিবেদক :
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। দেশের বিভিন্ন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের পর এবার সারা দেশে উপজেলা ও পৌর পর্যায়ে একই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে কোনো সময় এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে।

এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে বিয়ানীবাজারে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নীরব তৎপরতা, লবিং এবং নানা হিসাব-নিকাশ। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন আলোচনার মূল বিষয় কে হচ্ছেন আগামী প্রশাসক।

নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী, উপজেলা প্রশাসকের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম। তাদের মধ্যে জেলা বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, নজমুল হোসেন পুতুল, উপজেলা বিএনপির এডভোকেট আহমদ রেজা’সহ আরও কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন। অপরদিকে পৌর প্রশাসকের তালিকায় আবু নাসের পিন্টু, মিজানুর রহমান সহ আরও ক’জনের নাম শোনা যাচ্ছে। প্রার্থীরা দলীয় হাইকমান্ডসহ বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীদের অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দলীয় আনুগত্য এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতি প্রার্থীর কার্যক্রম ও সামাজিক অবস্থান বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কোনো ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত এ নিয়োগকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ। দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবে সবকিছুর পরও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় জল্পনা-কল্পনা থামছে না।

সব মিলিয়ে বিয়ানীবাজার এখন অপেক্ষার প্রহর গুনছে। প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে—এমন প্রত্যাশা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত কার হাতে দায়িত্ব যাচ্ছে, সেটিই এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews