1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিয়ানীবাজারে আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, ক্লাস শুরু ৭ জুন বাগবাড়ী SESDP মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে জমকালো বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিয়ানীবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য জামিলে’র সংবর্ধনা হজ্বযাত্রীদের মাঝে কামাল মাতহুরী রচিত “যিয়ারতে হারামাইন” বই বিতরণ ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত একজন আজীবন স্কাউটার শ্রী লালিত মোহন বিশ্বাসের মৃত্যুতে শোক ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিয়ানীবাজারে আলোচনা বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদানের প্রস্তুতি সভা সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত দিন: ৪৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর সূচনা বিয়ানীবাজারে বাইতুস সালাম জামে মসজিদের পুনঃনির্মাণে ৭০ লক্ষ টাকার আশ্বাস—এম সাব উদ্দিন

বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন—সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

সম্পাদকীয় বোর্ড, পঞ্চখণ্ড আই পোর্টাল
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম অর্থসংকটের কারণে ধীরগতিতে চলছে—এ তথ্য নতুন নয়, তবে সম্প্রতি আগামী প্রজন্ম অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সমস্যার চিত্রটি আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মৌলিক সেবা যেমন রাস্তাঘাট মেরামত, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্ট্রিট লাইট রক্ষণাবেক্ষণ—এসব কাজের ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে।

পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজস্ব আদায়ের টার্গেট বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে পৌরসভায় বরাদ্দ এসেছে মাত্র দেড় কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা এসেছে রাজনৈতিক উদ্যোগে। এত সীমিত অর্থে চলমান প্রকল্প এবং নতুন উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা বাস্তবিকভাবেই কঠিন।

বাস্তব চিত্র হলো—স্থানীয় আয় (হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, বাজার ফি) আশানুরূপ নয়, আবার কেন্দ্রীয় বরাদ্দও সীমিত। এতে নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া বা চলমান কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে, নাগরিকরা যুক্তিসঙ্গতভাবেই উন্নত সেবা প্রত্যাশা করেন। মৌলিক নাগরিক সুবিধা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি পৌরসভার সাংবিধানিক দায়িত্ব।

এই পরিস্থিতিতে কিছু বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন:
১. রাজস্ব বৃদ্ধির টেকসই কৌশল: কর আদায়ে স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন আনা জরুরি।
২. অতিরিক্ত অর্থায়নের উৎস খোঁজা: সরকারি বরাদ্দ ছাড়াও উন্নয়ন সহযোগিতা ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের সুযোগ অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
৩. অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরিকল্পনা: সীমিত অর্থে কোন প্রকল্প আগে শেষ করতে হবে, তা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা দরকার।
৪. নাগরিক অংশগ্রহণ: স্থানীয় জনগণকে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতা এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

বিয়ানীবাজার পৌরসভা ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমস্যাকে অস্বীকার না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। নাগরিক সেবা যেন স্থায়ীভাবে ব্যাহত না হয়—এটি নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট