1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিয়ানীবাজারে আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, ক্লাস শুরু ৭ জুন বাগবাড়ী SESDP মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে জমকালো বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিয়ানীবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য জামিলে’র সংবর্ধনা হজ্বযাত্রীদের মাঝে কামাল মাতহুরী রচিত “যিয়ারতে হারামাইন” বই বিতরণ ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত একজন আজীবন স্কাউটার শ্রী লালিত মোহন বিশ্বাসের মৃত্যুতে শোক ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিয়ানীবাজারে আলোচনা বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদানের প্রস্তুতি সভা সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত দিন: ৪৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর সূচনা বিয়ানীবাজারে বাইতুস সালাম জামে মসজিদের পুনঃনির্মাণে ৭০ লক্ষ টাকার আশ্বাস—এম সাব উদ্দিন

দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বিদায় ভাষণ

পঞ্চখণ্ড আই অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

“হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, নতুন অভিযাত্রার সূচনা আজ”

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত—উভয় প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তিনি বলেন, যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন, আর যারা জয়ী হতে পারেননি তারাও প্রায় অর্ধেক ভোটারের সমর্থন অর্জন করেছেন—এটাই গণতন্ত্রের শক্তি।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। জনগণ, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি প্রশংসনীয় নজির স্থাপিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য এটিকে একটি মানদণ্ড হিসেবেও আখ্যা দেন।

দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে তিনি বলেন, ১৮ মাস আগে এক গভীর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের সময় তাকে দায়িত্ব গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। সে সময় দেশ কার্যত অচল ছিল এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছিল। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এই তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখেই অন্তর্বর্তী সরকার কাজ শুরু করে।

তিনি স্মরণ করেন ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানকে, যেদিন তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে দেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করে। দায়িত্ব গ্রহণে প্রাথমিক অনীহা থাকলেও জাতির স্বার্থে তিনি সাড়া দেন বলে জানান। গত ১৮ মাসে প্রশাসনিক, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের গণভোটকে তিনি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। তার ভাষায়, এটি কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।

ভাষণের শেষে তিনি বলেন, কোথায় কতটুকু সফলতা এসেছে বা ব্যর্থতা রয়ে গেছে—তার বিচার জনগণের ওপরই ন্যস্ত থাকল। দায়িত্ব শেষ করে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় সমাপ্ত হচ্ছে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট