শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিয়ানীবাজার থানার নতুন ওসি আবু জাফর মাহফুজুল কবির, বদলি হলেন ওমর ফারুক চারখাইয়ে বিআরটিসি বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ জৈন্তাপুরে অবৈধ পাথরবাহী ট্রাক আটক: শ্রমিকদের অবরোধের দুই ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল অনলাইন জুয়া ও স্পোর্টস বেটিং ঠেকাতে নতুন আইন, সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড আগামীকাল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা: একই প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর নিরাপত্তা শ্রীধরা জনমঙ্গল সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি ঘোষণা ধাপে ধাপে আবাসিক গ্যাস সংযোগ তুলে দিতে চায় সরকার বিয়ানীবাজার থানার ধারাবাহিক অভিযানে মাদক, চোরাচালান ও চুরি দমনে সাফল্য; ৫ জন গ্রেফতার পুলিশ পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতি: সংবাদকর্মী মাসুম আহমদের পরিবারকে মারধর, ভাড়া করা প্রাইভেটকার ছিনতা বিয়ানীবাজারে বিনামূল্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ লাখ গাছের চারা বিতরন

দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বিদায় ভাষণ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

“হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, নতুন অভিযাত্রার সূচনা আজ”

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত—উভয় প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তিনি বলেন, যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন, আর যারা জয়ী হতে পারেননি তারাও প্রায় অর্ধেক ভোটারের সমর্থন অর্জন করেছেন—এটাই গণতন্ত্রের শক্তি।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। জনগণ, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি প্রশংসনীয় নজির স্থাপিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য এটিকে একটি মানদণ্ড হিসেবেও আখ্যা দেন।

দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে তিনি বলেন, ১৮ মাস আগে এক গভীর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের সময় তাকে দায়িত্ব গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। সে সময় দেশ কার্যত অচল ছিল এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছিল। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এই তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখেই অন্তর্বর্তী সরকার কাজ শুরু করে।

তিনি স্মরণ করেন ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানকে, যেদিন তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে দেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করে। দায়িত্ব গ্রহণে প্রাথমিক অনীহা থাকলেও জাতির স্বার্থে তিনি সাড়া দেন বলে জানান। গত ১৮ মাসে প্রশাসনিক, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের গণভোটকে তিনি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। তার ভাষায়, এটি কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।

ভাষণের শেষে তিনি বলেন, কোথায় কতটুকু সফলতা এসেছে বা ব্যর্থতা রয়ে গেছে—তার বিচার জনগণের ওপরই ন্যস্ত থাকল। দায়িত্ব শেষ করে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় সমাপ্ত হচ্ছে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews