Π আতাউর রহমান : শিক্ষার্থীর সাফল্য কেবল পরীক্ষার নম্বরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এই সত্যটি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা যেমন সিঙ্গাপুরেও গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের একজন প্রিন্সিপাল অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে লিখিত চিঠিতে বলেছেন,
— Π আতাউর রহমান আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘ ছত্রিশ বছরের শিক্ষকতা জীবনে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার নানা বাস্তবতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলাম। শিক্ষার্থী,
আজকের ডিজিটাল যুগে আমরা এমন একটি সময়ের ভেতর দিয়ে চলছি, যেখানে কথা বলা, প্রতিক্রিয়া দেওয়া, মন্তব্য করা—এসব যেন বাধ্যতামূলক আচরণে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট, একটি মতভেদ বা সামান্য
Π আতাউর রহমান: মানবসমাজের এক অদ্ভুত বৈপরীত্য হলো—যেখানে দায়িত্বহীনতা, স্বার্থপরতা কিংবা ফাঁকিবাজির প্রবণতা দেখা যায়, সেখানে একধরনের অদৃশ্য ঐক্য খুব দ্রুত গড়ে ওঠে। কিন্তু যে মানুষটি নীরবে পরিশ্রম করে, দায়িত্বকে
মানুষ সামাজিক জীব। তাই সম্পর্ক, যোগাযোগ ও সহাবস্থানই আমাদের জীবনের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু এই সম্পর্কের ভিড়েই কখনো–সখনো অপমান, অবজ্ঞা কিংবা তুচ্ছতাচ্ছিল্যের মুখোমুখি হতে হয়। তখন রাগ, ক্ষোভ কিংবা প্রতিশোধের আগুন
মানুষের জীবনে কিছু ভাঙন আছে যা শব্দ করে না—কিন্তু চিরে যায় গভীর ভেতরে। মোবাইল ফোন পড়ে ভাঙলে শব্দ হয়, স্ক্রিনে দাগ দেখা যায়; কিন্তু সম্পর্কের ভাঙন নিঃশব্দে ঘটে, অদৃশ্য এক
– Π আতাউর রহমান একসময় ‘লকডাউন’ ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি শব্দ—সংক্রমণ ঠেকানোর উপায়। কোভিড–১৯ মহামারির সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে এই শব্দটি মানুষের মনে তৈরি করেছিল এক গভীর আতঙ্ক। রাস্তাঘাট ফাঁকা, যানবাহন থমকে,
আতাউর রহমান জাতীয় নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজনীতির মাঠে ততই অনিশ্চয়তা ও প্রত্যাশার মিশেল বাড়ছে। আলোচনা কেবল “কবে হবে”— এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়; বড় প্রশ্ন এখন, “কেমন হবে?” বাংলাদেশে আসন্ন
আবু তাহের সম্মানিত অভিভাবক, আজ কোনো ভূমিকা নয়, কোনো শিক্ষাবিদের তত্ত্ব নয়—সোজাসাপটা কয়েকটি কথা বলব। হয়তো অনেকেই আমার সঙ্গে দ্বিমত করবেন, আবার কেউ কেউ সহমত পোষণ করবেন। সকলকেই আগাম ধন্যবাদ
✍️ আতাউর রহমান “জ্ঞান মানুষকে আলোকিত করে, ধৈর্য তাকে স্থিতিশীল রাখে, বিশ্বাস সম্পর্ককে নিরাপদ করে, হাসি হৃদয়কে প্রফুল্ল রাখে, আর ঈমান আত্মাকে মুক্তি দেয়।” মানুষের জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য তার সম্পদে