1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি ফি বন্ধ, সব লেনদেন ব্যাংকে বাধ্যতামূলক জনতার আস্থা থেকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে: আরিফুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযাত্রা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে পঞ্চমবারের মতো সরকার গঠন: মন্ত্রণালয় পেলেন যাঁরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর নতুন মন্ত্রিসভা: একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা বাইরে গণভোটের ফল চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে রিট, শুনানি আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বিদায় ভাষণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক শৃঙ্খলার নতুন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা প্রকাশ করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভূমিপুত্রের আদর্শিক বিজয়: নৈতিকতার প্রত্যাবর্তন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকারী ফজলুর রহমান’র বিজয় লাভ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি ফি বন্ধ, সব লেনদেন ব্যাংকে বাধ্যতামূলক

পঞ্চখণ্ড আই অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই অনলাইন ডেস্ক :
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী, একবার ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তরণের সময় কোনো ধরনের ‘পুনর্ভর্তি ফি’ নেওয়া যাবে না।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয় এবং সম্প্রতি তা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের যেকোনো আর্থিক অনিয়মের দায় যৌথভাবে বহন করবেন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক)। দায়িত্ব ছাড়ার পরও সংশ্লিষ্ট সময়ের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা আর্থিক বিধি ভঙ্গ করলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে; প্রয়োজনে তার এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। অনিয়মের দায়ে পরিচালনা কমিটিও বাতিল করা সম্ভব।

নীতিমালার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো নগদ লেনদেন নিরুৎসাহিত করা। শিক্ষার্থীদের টিউশন, ভর্তি, বোর্ড পরীক্ষাসহ সব ধরনের ফি সরকারি বা অনুমোদিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া নগদ অর্থ নেওয়া যাবে না; নিলেও দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা বাধ্যতামূলক।

দৈনন্দিন খরচের জন্য ইমপ্রেস্ট ফান্ডের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—প্রতিষ্ঠানের ধরন ও শিক্ষার্থীসংখ্যা অনুযায়ী মাসে ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় করা যাবে। একক ভাউচারে ২৫ হাজার টাকার বেশি নগদ খরচ নিষিদ্ধ; এর বেশি ব্যয় ক্রস চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অর্থ, ক্রয়, উন্নয়ন, টিউশন ও সেশন চার্জ আদায়, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা মূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ অডিট—এই ছয়টি উপকমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত সভা ও প্রতিবেদন দাখিল বাধ্যতামূলক থাকবে।
পরিবীক্ষণ ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) অনলাইনভিত্তিক ‘ই-ক্যাশ বুক’ চালু করবে, যেখানে সব ভাউচার এন্ট্রি করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের চিকিৎসা বা দুর্যোগজনিত প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অগ্রিম দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা কিস্তিতে সমন্বয় হবে।

এ নীতিমালা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০২৩ সালের পূর্ববর্তী নির্দেশনা বাতিল করা হয়েছে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট