Eng
বিয়ানীবাজার - গোলাপগঞ্জ, রাজনীতি

সিলেট-৬ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী বৃটেনপ্রবাসী সমাজকর্মী সাবিনা খান

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট ২০২৫ | ৬:৪৪ অপরাহ্ণ

পঞ্চখণ্ড আই রিপোর্টার:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বৃটেনপ্রবাসী সমাজকর্মী ও জনপ্রতিনিধি সাবিনা খান। দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে বসবাস করলেও দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক অটুট রয়েছে। নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে তিনি যুক্তরাজ্যে মানুষের কল্যাণে কাজ করে ইতোমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ প্রমাণ করেছেন।

সাবিনা খানের গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মুল্লাপুর ইউনিয়নের পাতন-আব্দুল্লাহপুর গ্রামে। তিনি একজন আইন বিষয়ে ডিগ্রিধারী শিক্ষিত নারী, যিনি সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য-অধিকারের প্রশ্নে বরাবরই সোচ্চার।

তাঁর পিতা কমর উদ্দিন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ পরিবারে বেড়ে ওঠা সাবিনা খান নিজেও জনসেবাকে জীবনের মূল ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

বর্তমানে তিনি গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং বিএনপির সমর্থকসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

সাবিনা খানের নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে— নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা সবার মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা, গ্রামীণ অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়ন, শ্রমজীবী ও বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন,

“আমি বিশ্বাস করি—এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে একজন কর্মঠ, শিক্ষিত ও মানবিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। আমি প্রস্তুত সিলেট-৬ আসনের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে, দেশে এবং বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে।”

বর্তমানে তিনি স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তাঁর স্বামী একজন প্রকৌশলী এবং এই দম্পতির দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিদেশে বসবাস করলেও দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার তাঁকে তৃণমূলে সক্রিয় রেখেছে।