1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইতিহাস সংরক্ষণে এক অনন্য প্রয়াস : ‘গোলাপগঞ্জের পাঠশালা’ সিলেট-৬: আঞ্চলিকতা ও নীরব ভোটেই নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের ভাগ্য হাজারো কর্মী–সমর্থকের ঢল, চারখাই বাজারে হেলিকপ্টার প্রতীকের হাফিজ ফখরুল ইসলামের নির্বাচনী পথসভা উক্তির আয়নায় বাংলাদেশ: নির্বাচন, গণতন্ত্র ও জ্ঞানের রাজনীতি বড়লেখার সাংবাদিক মিজানুর রহমান আর নেই ভোটারের চোখে: অধিকার, তথ্য ও আস্থার সংকট “গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের প্রতিটি সমস্যাই আমার জানা”—চারখাইয়ে জনসভায় এমরান চৌধুরী দেশ রূপান্তরের সম্পাদক হলেন বিয়ানীবাজারের মুস্তাফিজ শফি সিলেট-৬: “লাতু–বিয়ানীবাজার–গোলাপগঞ্জ রেলপথ হবে অগ্রাধিকার”—লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুন নূর সিলেট -৬: “নিরপেক্ষ ভোটই গণতন্ত্রের বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে” : ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট জাহিদুর রহমান

কৈলাশটিলার পুরোনো কূপে নতুন গ্যাসের সন্ধান

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডে আবারও নতুন গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ১ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভার শেষে নতুন স্তরে গ্যাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সিলেট গ্যাসফিল্ডের আওতাধীন কৈলাশটিলায় মোট ৯টি কূপ রয়েছে। এর মধ্যে ১ নম্বর কূপে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় ১৯৬১ সালে। একবার বিরতি দিয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কূপটি সচল ছিল। পরে দেশে পুরোনো কূপগুলোর ওয়ার্কওভার প্রকল্প শুরু হলে সিলেট গ্যাসফিল্ডের ১৪টি কূপের মধ্যে সাতটির কাজ শেষ হয়েছে—এবং সাতটিতেই নতুন গ্যাস মজুদ পাওয়া গেছে।

ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, “গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে। কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।”

বাপেক্স সূত্র জানিয়েছে, প্রায় চার মাস আগে কৈলাশটিলা-১ এ ওয়ার্কওভার শুরু হয়। ২২ হাজার ফুট গভীরে নতুন গ্যাস স্তর শনাক্ত হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে দুই–তিন দিনের মধ্যেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের ৩ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়। বর্তমানে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন কূপ থেকে দৈনিক ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবর মাসে হরিপুরের ৭ নম্বর কূপে ১,২০০ মিটার গভীরে নতুন গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, যেখান থেকে দৈনিক ৭–৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পরীক্ষামূলকভাবে উত্তোলিত হচ্ছে। একই বছরের মে মাসে কৈলাশটিলার ৮ নম্বর কূপেও দৈনিক ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান মেলে।

প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট গ্যাসফিল্ডে একাধিক অনুসন্ধান কূপ ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সব কূপে প্রত্যাশিত ফল মিললে এসজিএফএল একাই জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ করতে পারবে।

১৯৫৫ সালে হরিপুরে দেশের প্রথম গ্যাস আবিষ্কার হয়। বর্তমানে এসজিএফএল-এর অধীনে পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে—হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার। এর মধ্যে ছাতক গ্যাসফিল্ড বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট