1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিয়ানীবাজারে ‘সময়চিত্র’র ব্যতিক্রমী ঈদ পুনর্মিলনী: সম্প্রীতি, ঐক্য ও পেশাগত বন্ধনের অনন্য মিলনমেলা অবসরের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা: অনলাইন জটিলতাসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুমাত্রিক ভোগান্তি, শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিয়ানীবাজারে প্রশাসক নিয়োগ: কার হাতে উঠছে প্রশাসনের চাবিকাঠি? চারখাই বাজারে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের দাবি লাইলাতুল কদর—ক্ষমা, রহমত ও আত্মশুদ্ধির মহারাত সংসদের অনুমোদন না পেলে ১৩৩ অধ্যাদেশ অকার্যকর হবে: আসিফ নজরুল বারবার গরম খাবারে লুকিয়ে থাকা স্বাস্থ্যঝুঁকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু—স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ মুখোশের আড়ালে মানুষ: সতর্ক থাকার সময় এখন ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নে সক্রিয় বিএনপি: সিলেটে বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ পদে নজর

কৈলাশটিলার পুরোনো কূপে নতুন গ্যাসের সন্ধান

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডে আবারও নতুন গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ১ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভার শেষে নতুন স্তরে গ্যাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সিলেট গ্যাসফিল্ডের আওতাধীন কৈলাশটিলায় মোট ৯টি কূপ রয়েছে। এর মধ্যে ১ নম্বর কূপে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় ১৯৬১ সালে। একবার বিরতি দিয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কূপটি সচল ছিল। পরে দেশে পুরোনো কূপগুলোর ওয়ার্কওভার প্রকল্প শুরু হলে সিলেট গ্যাসফিল্ডের ১৪টি কূপের মধ্যে সাতটির কাজ শেষ হয়েছে—এবং সাতটিতেই নতুন গ্যাস মজুদ পাওয়া গেছে।

ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, “গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে। কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।”

বাপেক্স সূত্র জানিয়েছে, প্রায় চার মাস আগে কৈলাশটিলা-১ এ ওয়ার্কওভার শুরু হয়। ২২ হাজার ফুট গভীরে নতুন গ্যাস স্তর শনাক্ত হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে দুই–তিন দিনের মধ্যেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের ৩ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়। বর্তমানে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন কূপ থেকে দৈনিক ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবর মাসে হরিপুরের ৭ নম্বর কূপে ১,২০০ মিটার গভীরে নতুন গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, যেখান থেকে দৈনিক ৭–৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পরীক্ষামূলকভাবে উত্তোলিত হচ্ছে। একই বছরের মে মাসে কৈলাশটিলার ৮ নম্বর কূপেও দৈনিক ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান মেলে।

প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট গ্যাসফিল্ডে একাধিক অনুসন্ধান কূপ ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সব কূপে প্রত্যাশিত ফল মিললে এসজিএফএল একাই জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ করতে পারবে।

১৯৫৫ সালে হরিপুরে দেশের প্রথম গ্যাস আবিষ্কার হয়। বর্তমানে এসজিএফএল-এর অধীনে পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে—হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার। এর মধ্যে ছাতক গ্যাসফিল্ড বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট