মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
৪৭ কোটি টাকায় বিয়ানীবাজার-সারপার-গঁজুকাটা সড়কের উন্নয়ন শুরু বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি বিয়ানীবাজারে মডেল মসজিদ সদরেই নির্মাণের দাবিতে নাগরিক কমিটি গঠন এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা আর অনিশ্চয়তায় নয়—১৫ আগস্ট থেকে নতুন উদ্যোগ বিয়ানীবাজারের মডেল মসজিদ: জমি নেই, নাকি সদরের জন্য সদিচ্ছা নেই? ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ঘুষখোরের শাসন ও লুটেরার রাজত্ব: নাগরিক কি শুধু দর্শক? ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি: গুজবের আড়ালে কী বলছে আইন ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন, বিজয়ের দিন’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাইয়ের দুই বছর: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি নাকি অপূর্ণতার হিসাব?

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইতিহাস সংরক্ষণে এক অনন্য প্রয়াস : ‘গোলাপগঞ্জের পাঠশালা’

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

পুস্তক সমালোচনা

প্রাথমিক শিক্ষা মানুষের জীবনের ভিত্তি নির্মাণ করে—এই সত্যকে সামনে রেখেই মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম রচনা করেছেন তথ্যভিত্তিক ও ঐতিহ্যনির্ভর গ্রন্থ “গোলাপগঞ্জের পাঠশালা”। বইটিতে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১৯২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ ধরনের তথ্যাদির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সংকলিত হয়েছে, যা একদিকে যেমন গবেষকদের জন্য সহায়ক, অন্যদিকে সাধারণ পাঠকের কাছেও এলাকার শিক্ষা-ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান দলিল। সেই দৃষ্টিতে বইয়ের নামকরণ যথার্থই মনে হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রাক্তন অতিরিক্ত মহাসচিব সোহেল আহমেদ বইটির মুখবন্ধ লিখে বইটিকে আরও আলোকিত করেছেন।

লেখক নিজে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও গ্রন্থাগারিকতার সঙ্গে যুক্ত। তিনি ১৯৭৯ সালের ১৬ জুলাই সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার মুকিতলা কৈলাশ মোকামবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এবং মাতা রাবিয়া খাতুন। বর্তমানে তিনি ঢাকাদক্ষিণ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সহকারী লাইব্রেরিয়ান হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ “গোলাপগঞ্জের বাতিঘর” স্থানীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যচর্চায় ইতোমধ্যেই পাঠকসমাদৃত হয়েছে।

“গোলাপগঞ্জের পাঠশালা” মূলত মাঠপর্যায়ে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এক ধরনের আর্কাইভধর্মী গ্রন্থ। এতে শুধু বিদ্যালয়ের নাম-পরিচয় নয়, বরং এ অঞ্চলের শিক্ষানুরাগী মানুষদের ত্যাগ, উদ্যোগ ও অবদানের নীরব ইতিহাসও প্রতিফলিত হয়েছে। লেখকের পরিশ্রমী তথ্যসংগ্রহ ও দলিলভিত্তিক উপস্থাপন বইটিকে স্থানীয় ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন করে তুলেছে।

দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে রচিত এই নীরব ২০০ পৃষ্ঠার এ বইটির মূল্য ৬০০ টাকা এবং নাগরী প্রকাশনী, বারুতখানা, সিলেট কতৃক প্রকাশিত হয়েছে । শিক্ষানুরাগী পাঠক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বইটি নিঃসন্দেহে একটি মূল্যবান সংযোজন। লেখক উৎসর্গ: যাঁদের কাছে শিক্ষার হাতেখড়ি নিয়েছেন, তাঁদের স্মরণে বইটা উৎসর্গ করেছেন। লেখকের একজন শিক্ষক হিসেবে বইটির বহুল প্রচার প্রত্যাশা করি।

আলোচক: আতাউর রহমান | শিক্ষাবিদ, কলামিস্ট ও সমাজচিন্তক।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews