1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মুখোশের আড়ালে মানুষ: সতর্ক থাকার সময় এখন ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নে সক্রিয় বিএনপি: সিলেটে বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ পদে নজর ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা ছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে আবেদন নয়: শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ সারা দেশের ৯৭৩ প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত, সিলেট বিভাগের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়মের চিত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক ঘোষণা রোটারি ক্লাব অব বিয়ানীবাজার-এর উদ্যোগে ৫৫ এতিম শিক্ষার্থীর মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ওয়াকিটকি–প্রাইভেটকার রহস্য: এসআই কামরুলকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন সদকাতুল ফিতর: রোজার পবিত্রতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিয়ানীবাজারে হামলা-লুট: বিচার ও সুরক্ষা চেয়ে ভুক্তভোগির সংবাদ সম্মেলন “গানম্যান নয়, ভরসা জনগণ”—এ বার্তাই এনে দিল এমরান আহমদ চৌধুরীর বিজয়

উত্তরার ট্র্যাজেডি: “গুজব নয়, সহানুভূতির হাত বাড়ান…” বললেন শিক্ষক পূর্ণিমা দাস

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৪০৮ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যখন গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন সামনে এসেছেন আগুনে পুড়ে যাওয়া হায়দার আলী ভবনের শিক্ষক পূর্ণিমা দাস।

ফেসবুকে নিজের আবেগভরা এক পোস্টে তিনি বলেন:

“ভুল তথ্য ছড়াবেন না। আমিও আগুনের মধ্যে আটকা পড়েছিলাম। আমার চেয়ে বেশি ফেসবুকবাসী জানবেন না, তাই না?”

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি জানান—
স্কুল ছুটি হয় দুপুর ১টায়। মাত্র এক-দুই মিনিটের ব্যবধানে তিনি স্কাই সেকশনে গিয়ে দেখেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী চলে গেছে। তবে কিছু শিশু অভিভাবকের অপেক্ষায় আবার ফিরে আসে। কিছু শিশু করিডোরে খেলছিল, কেউ বা সিঁড়িতে ছোটাছুটি করছিল—সেই অল্প সময়েই ঘটে যায় ভয়াবহ ট্র্যাজেডি।

পূর্ণিমা দাসের ভাষ্য অনুযায়ী:

★ ক্লাউড সেকশন ছিল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।
★ শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী ও মাসুকা বাচ্চাদের রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারান।
★ গুরুতর আহত মাহফুজা মিস এখন লাইফ সাপোর্টে।
★ ময়না সেকশনে কিছু আহত হলেও কেউ মারা যায়নি।
★ দোয়েল সেকশনের এক শিক্ষার্থী মারা গেছে।
★ টিউবরোজ ও ওয়াটারলিলির সব শিশুই নিরাপদে রয়েছে।

তিনি জানান, ভবনের সামনে, করিডোরে, দোলনায় যেসব শিশু ছিল তাদের অনেকের দেহই শনাক্ত করা যাচ্ছে না—এতটাই পুড়ে গেছে। লাশ গুম হচ্ছে—এই মিথ্যা অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন:

“আমরা শিক্ষক, রাজনীতিবিদ নই। একটা বাচ্চাকে বাঁচাতে না পারলেও, তার লাশ অন্তত বাবা-মায়ের কাছে পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করব।”

শেষে তিনি হৃদয় নিংড়ানো আর্তিতে বলেন:

“নিহতের সংখ্যা সামনে বাড়বে, আপনাদের বাড়াতে হবে না। আসুন, আমরা প্রার্থনা করি প্রতিটি ফুলের জন্য যারা অকালে ঝরে গেল—আমাদের শিক্ষক, স্টাফ আর ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের জন্য।”

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট