1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
৭৩ বছরে নজিরবিহীন শীত : সিলেট বিভাগেও ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব সিলেটে আরও চার প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, এনসিপি প্রার্থীর বাতিল শিশুদের বই পেতে, জটিলতার বোঝা কেন? সিলেটের ৬টি আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ৩৫ বৈধ, বাতিল ৭ ও স্থগিত ৫ বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের আসবাবপত্র ক্রয়ে নগদ অনুদান দিলেন হাজী মুহাম্মদ আব্দুস সবুর “শব্দের ভেতর আমি” কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হলফনামায় সিলেটের বিএনপি প্রার্থীদের অর্থনৈতিক বৈষম্য: নগদ অর্থ ও সম্পদের ফারাক বিয়ানীবাজারে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক কারবারিসহ চারজন গ্রেফতার বিয়ানীবাজারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বইবঞ্চিত ৯ শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা: থমকে যাচ্ছে শিশুদের পড়াশোনা বৈরাগীবাজারে পিবিএলএস’র শীতবস্ত্র ও সংবর্ধনায় সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবার

৭৩ বছরে নজিরবিহীন শীত : সিলেট বিভাগেও ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
দিন ও রাতে প্রায় একই মাত্রার ঘন কুয়াশা এবং অস্বাভাবিকভাবে কম তাপমাত্রার কারণে সারাদেশের মতো সিলেট বিভাগেও তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে বিরাজমান এই পরিস্থিতিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৭৩ বছরের আবহাওয়ার রেকর্ডে এমন পরিস্থিতির কোনো উদাহরণ নেই।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ ড. বজলুর রশিদ জানান, দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি বহুগুণে বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকছে, যা এই শীতকে নজিরবিহীন করে তুলেছে।

তিনি বলেন, সাধারণত শীত মৌসুমে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে কুয়াশা কেটে গেলেও এবার দীর্ঘ সময় ধরে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশা ঝরছে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো পর্যাপ্ত সময় না থাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গেছে। এতে ‘কুলিং ইফেক্ট’ বেড়ে সারাদেশেই তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।

সিলেট বিভাগের পরিস্থিতি
সিলেট বিভাগে শীতের প্রভাব আরও স্পষ্ট। ঘন কুয়াশার কারণে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না, ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকছে। শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা ও হালকা শীতল বাতাস জনজীবনে ভোগান্তি বাড়িয়েছে। আগের দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হওয়ায় সিলেট বিভাগের শীতের তীব্রতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

আবহাওয়াবিদরা জানান, দিল্লি থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি দীর্ঘ ঘন কুয়াশার বলয় সিলেট বিভাগকেও প্রভাবিত করছে। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি না হওয়া, পশ্চিমা লঘুচাপের অনুপস্থিতি এবং বাতাসের কম গতিবেগের কারণে এখানকার কুয়াশা সহজে কাটছে না। ফলে আগামী কয়েক দিনেও সিলেট বিভাগে শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহ ও পূর্বাভাস
সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে—৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের আট জেলা ছাড়াও কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, যশোর ও দিনাজপুরে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাপমাত্রা আরও কমলে সিলেট বিভাগের কিছু এলাকাও শৈত্যপ্রবাহের আওতায় আসতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ ও আগামীকাল তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে এরপর আবার তা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি মাসে দেশে অন্তত পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে এক থেকে দুই দফা তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির মতে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামতে পারে, যদিও ২০১৮ সালের মতো অতিমাত্রার রেকর্ড হওয়ার সম্ভাবনা কম।

সব মিলিয়ে ঘন কুয়াশা, কম বাতাসের গতি ও বৃষ্টির অনুপস্থিতিতে সৃষ্ট এই অস্বাভাবিক আবহাওয়া সিলেট বিভাগসহ পুরো দেশকেই কঠিন শীতের মুখে ফেলেছে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট