1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
১৮ বছরের অভিজ্ঞতা ছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে আবেদন নয়: শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ সারা দেশের ৯৭৩ প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত, সিলেট বিভাগের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়মের চিত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক ঘোষণা রোটারি ক্লাব অব বিয়ানীবাজার-এর উদ্যোগে ৫৫ এতিম শিক্ষার্থীর মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ওয়াকিটকি–প্রাইভেটকার রহস্য: এসআই কামরুলকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন সদকাতুল ফিতর: রোজার পবিত্রতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিয়ানীবাজারে হামলা-লুট: বিচার ও সুরক্ষা চেয়ে ভুক্তভোগির সংবাদ সম্মেলন “গানম্যান নয়, ভরসা জনগণ”—এ বার্তাই এনে দিল এমরান আহমদ চৌধুরীর বিজয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা: শিক্ষামন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কাম্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি ফি বন্ধ, সব লেনদেন ব্যাংকে বাধ্যতামূলক

কলেজ চলাকালীন কোচিং বন্ধে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের কড়া নির্দেশনা

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে কোচিং নির্ভরতা রোধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: সাব্বির আহমদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা—কলেজ চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থী বা শিক্ষক, কেউই কোচিংয়ে যেতে পারবে না। কেউ গেলে তাকে অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য করা হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সম্প্রতি কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে কোচিংয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে—এমন অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলকে সঙ্গে নিয়ে কলেজ চলাকালীন সময়ে পরিচালিত কোচিং সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, “আমার শিক্ষকরা যদি কোচিংয়ে যুক্ত থাকেন, তবে তা করতে পারবেন শুধুমাত্র বিকাল ৪টার পর। কলেজ সময়ের মধ্যে নয়—এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই।”

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুদ দাইয়ান বলেন, “শিক্ষার্থীদের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে কোচিংয়ে যাওয়া এবং কিছু শিক্ষকের এ সময় প্রাইভেট চর্চা নিঃসন্দেহে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হতাশাজনক। এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণের জন্য প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও আত্মনিরীক্ষা প্রয়োজন। অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদের উদ্যোগকে আমরা শিক্ষক সমাজ হিসেবে স্বাগত জানাই এবং এর বাস্তবায়নে আমরা নৈতিক ও পেশাগতভাবে পাশে থাকবো।”

অন্যদিকে, বেশ কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, “যদি স্কুল-কলেজে ক্লাস সঠিকভাবে পরিচালিত হতো, তাহলে আমাদের সন্তানদের কোচিংয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়তো না। তাই একদিকে কোচিং বন্ধ করতে হবে, অন্যদিকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানও নিশ্চিত করতে হবে।”

কোচিং বাণিজ্য প্রসঙ্গে দাসউরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান বলেন, “শিক্ষা একটি সেবামূলক পেশা। যদি এ পেশা বাণিজ্যে পরিণত হয়, তাহলে সমাজের মেরুদণ্ড দুর্বল হয়ে পড়বে। আমি অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদের পদক্ষেপকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। শিক্ষকদের উচিত শ্রেণিকক্ষে সময়মতো উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ পাঠদান নিশ্চিত করা। অভিভাবকদের আর্থিক দুর্ভোগ লাঘব ও শিক্ষার গুণগত মান ধরে রাখতে হলে নীতিনিষ্ঠ শিক্ষক ও প্রশাসনিক তৎপরতার সমন্বয় জরুরি।”

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট