1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ভিপি নূরসহ নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিয়ানীবাজারে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল গুরুতর আহত নুরুল হক নুর, ঢামেকে ভর্তি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ড. কামাল হোসেনের সতর্কবার্তা — “অশুভ শক্তিকে দমন না করলে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে”। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত নিশ্চিতকরণের পদক্ষেপ জরুরি বাগবাড়ী এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ‘মঞ্চ ৭১’-এর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা : সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজন আটক আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের বিয়ানীবাজার উপজেলা কমিটি গঠিত চারখাই ইউনিয়নের মেঘার খালের উপর ব্রীজ নির্মাণের দাবি—উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা সিলেটে বালু-পাথর উত্তোলন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির স্মারকলিপি

জাতীয়তাবাদী দলের ঐক্য ও গঠনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির আহ্বানে আবু নাসের পিন্টু

পঞ্চখণ্ড আই প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই.কম প্রতিবেদন / বিয়ানীবাজার (সিলেট) :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্র থেকে মফস্বল পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য ও সম্মানজনক সহাবস্থানের অনুপস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অভিমত প্রকাশ করেছেন মোঃ আবু নাসের পিন্টু — সাবেক সভাপতি, বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপি এবং সিলেট জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক।

তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক টাইমলাইনে (৮ জুলাই) প্রকাশিত এক বার্তায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে কিছু প্রশ্ন ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন, যা ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বার্তায় তিনি বলেন,

“কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগরের নেতারা যখন একসাথে সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন, তখন উপজেলা ও পৌর পর্যায়ে এসে একই ঐক্য ও সংহতির অভাব কেন দেখা দেয়? কেন আমাদের মফস্বল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা হয়?”

তিনি আরও লেখেন,

“আপনারা এমপি বা মন্ত্রী হবেন — এটি আপনাদের ব্যক্তিগত গন্তব্য হতে পারে, কিন্তু তার জন্য জনগণের আস্থা অর্জন করুন, নেতৃত্বের যোগ্যতা প্রমাণ করুন। তৃণমূল কর্মীদের ভাগাভাগি করে নিজেদের বলয় রক্ষার রাজনীতি চালানো বন্ধ করুন।”

পিন্টু তার বার্তায় আরও দাবি করেন, যদি কেন্দ্র, জেলা ও মহানগরের নেতারা তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে মতবিনিময় করেন, তবে সেটিকে কেউ ‘বিরুদ্ধ বলয়ের উদ্যোগ’ হিসেবে নেবেন কেন?

তিনি দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে পাঁচটি স্পষ্ট বার্তা তুলে ধরেন:
১. দলীয় বিভাজন বন্ধ করুন,
২. ব্যক্তিগত বলয়ের চেয়ে দলকে অগ্রাধিকার দিন,
৩. তৃণমূল নেতাকর্মীদের সম্মান করুন,
৪. একসাথে কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিন,
৫. জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রকৃত চর্চা করুন।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মোঃ আবু নাসের পিন্টুর বার্তাটি ১৬২টি লাইক ও ৭১টি মন্তব্য অর্জন করেছে।
খালেদ আহমেদ খালেদ মন্তব্যে লেখেন:

“ভাই, আমাদের মধ্যে হেখরী বেশি… আমরা দলকে নয়, গ্রুপিংকে গুরুত্ব দিই। বলয়ের বাইরে কাউকে অতিথি করা নিষিদ্ধ — এটা বিরাট সমস্যা।”

মাহবুবুল আলম চৌধুরী লেখেন:

“এই বক্তব্য সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত। এটি নিঃসন্দেহে দলের গঠনমূলক কর্মসূচি এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা বঞ্চিত বোধ করলে বিভাজন বাড়ে, যা কোনো দলের জন্যই কাম্য নয়।”

উপসংহার
জাতীয়তাবাদী দলের তৃণমূল নেতৃত্ব থেকে আসা এ ধরনের সচেতন বার্তা নিঃসন্দেহে দলের কেন্দ্রীয় ও শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলেই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মোঃ আবু নাসের পিন্টুর এ আহ্বান যেন দলকে বিভক্তির পথ থেকে ঐক্যের পথে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখে — এমনটাই প্রত্যাশা দলের সচেতন নেতাকর্মীদের।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট