1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
৭ জুন থেকে শুরু হতে পারে এইচএসসি পরীক্ষা: সব বোর্ডে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র বিয়ানীবাজারে ‘সময়চিত্র’র ব্যতিক্রমী ঈদ পুনর্মিলনী: সম্প্রীতি, ঐক্য ও পেশাগত বন্ধনের অনন্য মিলনমেলা অবসরের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা: অনলাইন জটিলতাসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুমাত্রিক ভোগান্তি, শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিয়ানীবাজারে প্রশাসক নিয়োগ: কার হাতে উঠছে প্রশাসনের চাবিকাঠি? চারখাই বাজারে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের দাবি লাইলাতুল কদর—ক্ষমা, রহমত ও আত্মশুদ্ধির মহারাত সংসদের অনুমোদন না পেলে ১৩৩ অধ্যাদেশ অকার্যকর হবে: আসিফ নজরুল বারবার গরম খাবারে লুকিয়ে থাকা স্বাস্থ্যঝুঁকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু—স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ মুখোশের আড়ালে মানুষ: সতর্ক থাকার সময় এখন

বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন—সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

সম্পাদকীয় বোর্ড, পঞ্চখণ্ড আই পোর্টাল
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম অর্থসংকটের কারণে ধীরগতিতে চলছে—এ তথ্য নতুন নয়, তবে সম্প্রতি আগামী প্রজন্ম অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সমস্যার চিত্রটি আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মৌলিক সেবা যেমন রাস্তাঘাট মেরামত, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্ট্রিট লাইট রক্ষণাবেক্ষণ—এসব কাজের ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে।

পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজস্ব আদায়ের টার্গেট বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে পৌরসভায় বরাদ্দ এসেছে মাত্র দেড় কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা এসেছে রাজনৈতিক উদ্যোগে। এত সীমিত অর্থে চলমান প্রকল্প এবং নতুন উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা বাস্তবিকভাবেই কঠিন।

বাস্তব চিত্র হলো—স্থানীয় আয় (হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, বাজার ফি) আশানুরূপ নয়, আবার কেন্দ্রীয় বরাদ্দও সীমিত। এতে নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া বা চলমান কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে, নাগরিকরা যুক্তিসঙ্গতভাবেই উন্নত সেবা প্রত্যাশা করেন। মৌলিক নাগরিক সুবিধা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি পৌরসভার সাংবিধানিক দায়িত্ব।

এই পরিস্থিতিতে কিছু বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন:
১. রাজস্ব বৃদ্ধির টেকসই কৌশল: কর আদায়ে স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন আনা জরুরি।
২. অতিরিক্ত অর্থায়নের উৎস খোঁজা: সরকারি বরাদ্দ ছাড়াও উন্নয়ন সহযোগিতা ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের সুযোগ অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
৩. অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরিকল্পনা: সীমিত অর্থে কোন প্রকল্প আগে শেষ করতে হবে, তা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা দরকার।
৪. নাগরিক অংশগ্রহণ: স্থানীয় জনগণকে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতা এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

বিয়ানীবাজার পৌরসভা ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমস্যাকে অস্বীকার না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। নাগরিক সেবা যেন স্থায়ীভাবে ব্যাহত না হয়—এটি নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট