1. news@panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই : পঞ্চখণ্ড আই
  2. info@www.panchakhandaeye.com : পঞ্চখণ্ড আই :
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সিলেট-৬ আসনে বেসরকারি ফলে এমরান চৌধুরীর জয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আজ ভোটগ্রহণ শুরু সিলেট-৬: প্রচার শেষ, ভোটের প্রস্তুতিতে কঠোর নিরাপত্তা সাংবাদিক আব্দুল খালিকের ভাইয়ের ইন্তেকাল: প্রেসক্লাবের শোক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইতিহাস সংরক্ষণে এক অনন্য প্রয়াস : ‘গোলাপগঞ্জের পাঠশালা’ সিলেট-৬: আঞ্চলিকতা ও নীরব ভোটেই নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের ভাগ্য হাজারো কর্মী–সমর্থকের ঢল, চারখাই বাজারে হেলিকপ্টার প্রতীকের হাফিজ ফখরুল ইসলামের নির্বাচনী পথসভা উক্তির আয়নায় বাংলাদেশ: নির্বাচন, গণতন্ত্র ও জ্ঞানের রাজনীতি বড়লেখার সাংবাদিক মিজানুর রহমান আর নেই ভোটারের চোখে: অধিকার, তথ্য ও আস্থার সংকট

বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন—সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

সম্পাদকীয় বোর্ড, পঞ্চখণ্ড আই পোর্টাল
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম অর্থসংকটের কারণে ধীরগতিতে চলছে—এ তথ্য নতুন নয়, তবে সম্প্রতি আগামী প্রজন্ম অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সমস্যার চিত্রটি আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মৌলিক সেবা যেমন রাস্তাঘাট মেরামত, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্ট্রিট লাইট রক্ষণাবেক্ষণ—এসব কাজের ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে।

পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজস্ব আদায়ের টার্গেট বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে পৌরসভায় বরাদ্দ এসেছে মাত্র দেড় কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা এসেছে রাজনৈতিক উদ্যোগে। এত সীমিত অর্থে চলমান প্রকল্প এবং নতুন উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা বাস্তবিকভাবেই কঠিন।

বাস্তব চিত্র হলো—স্থানীয় আয় (হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, বাজার ফি) আশানুরূপ নয়, আবার কেন্দ্রীয় বরাদ্দও সীমিত। এতে নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া বা চলমান কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে, নাগরিকরা যুক্তিসঙ্গতভাবেই উন্নত সেবা প্রত্যাশা করেন। মৌলিক নাগরিক সুবিধা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি পৌরসভার সাংবিধানিক দায়িত্ব।

এই পরিস্থিতিতে কিছু বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন:
১. রাজস্ব বৃদ্ধির টেকসই কৌশল: কর আদায়ে স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন আনা জরুরি।
২. অতিরিক্ত অর্থায়নের উৎস খোঁজা: সরকারি বরাদ্দ ছাড়াও উন্নয়ন সহযোগিতা ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের সুযোগ অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
৩. অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরিকল্পনা: সীমিত অর্থে কোন প্রকল্প আগে শেষ করতে হবে, তা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা দরকার।
৪. নাগরিক অংশগ্রহণ: স্থানীয় জনগণকে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতা এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

বিয়ানীবাজার পৌরসভা ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমস্যাকে অস্বীকার না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। নাগরিক সেবা যেন স্থায়ীভাবে ব্যাহত না হয়—এটি নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট