পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক : এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত ১৩ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সিলেট শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস বেগম।
এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৭২ হাজার ৭৪৫ জন। গত বছর, ২০২৫ সালে, এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। তখন জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬০২ জন। সে হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে ৩৯৮ জন।
বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭১ দশমিক ৬২ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৪০ শতাংশ, ২০২১ সালে ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ২০২০ সালে শতভাগ। এ ছাড়া ২০১৯ সালে ৬৭ দশমিক ০৫ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৭৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে ৭৯ দশমিক ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।
বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২০ সালে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে প্রচলিত পদ্ধতিতে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই বছর আগের এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে সব পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে, ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার নির্দিষ্ট কিছু নম্বর বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছিল। ফলে ওই দুই বছরের পাসের হার স্বাভাবিক পরীক্ষার তুলনায় বেশি ছিল।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী। বিশেষ করে গত দুই বছরের ফলাফলে উত্তীর্ণের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমে যাওয়ায় শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং বোর্ডভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণের বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আতাউর রহমান আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
বানিজ্যিক কার্যালয়: সমবায় মার্কেট, কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার পৌরসভা, সিলেট থেকে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।
ই-মেইল: 𝐩𝐚𝐧𝐜𝐡𝐚𝐤𝐡𝐚𝐧𝐝𝐚𝐞𝐲𝐞@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦 মোবাইল নম্বর: ০১৭৯২৫৯৮১২৯