✍️ আতাউর রহমান
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সরকার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী তৈরিতে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হচ্ছে কম্পিউটার ল্যাব, সরবরাহ করা হচ্ছে ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর। শিক্ষক বাতায়নের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষকদের ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব আয়োজনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট—শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরও কার্যকর করা।
কিন্তু এত আয়োজনের পর একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়—প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কতটা কাজে লাগছে শ্রেণিকক্ষে?
দীর্ঘ এক যুগ মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে, প্রশিক্ষণের আয়োজন ও তার প্রত্যাশিত ফলাফলের মধ্যে কখনো কখনো ব্যবধান থেকে যায়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ, উপস্থিতি নিশ্চিত করা কিংবা সনদ অর্জনই যদি সাফল্যের প্রধান পরিচায়ক হয়ে ওঠে, তাহলে দক্ষতা উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য আড়ালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এটি সব শিক্ষক বা প্রশিক্ষণার্থীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আন্তরিকতা ও পেশাগত নিষ্ঠার সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে তার প্রয়োগ করছেন, এমন শিক্ষকও রয়েছেন। তাঁদের প্রচেষ্টা স্বীকার করেই প্রশিক্ষণব্যবস্থার দুর্বলতা ও ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন। কারণ, শিক্ষার উন্নয়নে বিনিয়োগের প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করতে হলে প্রশিক্ষণকক্ষে কী ঘটছে, তার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে ফিরে কী পরিবর্তন আসছে, সেটিও দেখতে হবে।
সরকারি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সম্মানী কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থাকা অস্বাভাবিক নয়। প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের সময় ও শ্রম দেন; সেই বিবেচনায় প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণে আপত্তির কারণ নেই। সমস্যা দেখা দেয় তখন, যখন প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু শেখা ও তা প্রয়োগের চেয়ে আনুষঙ্গিক সুবিধা অর্জন বেশি গুরুত্ব পায়।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা থেকে এমন প্রশ্ন ওঠার বাস্তবতা উপলব্ধি করেছি। তবে এ ধরনের প্রবণতা কতটা বিস্তৃত, তা নির্ধারণের জন্য তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন প্রয়োজন। বিচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সব প্রশিক্ষণার্থীকে একইভাবে বিচার করা যেমন অন্যায্য, তেমনি সম্ভাব্য দুর্বলতাকে উপেক্ষা করাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়।
একজন শিক্ষক আইসিটি প্রশিক্ষণ নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে শিখলেন, মাল্টিমিডিয়া উপকরণ ব্যবহারের কৌশল আয়ত্ত করলেন কিংবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠ পরিকল্পনা করতে জানলেন। কিন্তু বিদ্যালয়ে ফিরে যদি এসব দক্ষতা ব্যবহারের উদ্যোগই না নেন, তাহলে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য কতটা পূরণ হলো?
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ একটি প্রক্রিয়া; দক্ষতা অর্জন তার লক্ষ্য, আর শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগ তার বাস্তব পরীক্ষা।
অতএব, প্রশিক্ষণের সাফল্য মূল্যায়নে উপস্থিতি ও সনদের পাশাপাশি অর্জিত দক্ষতার ব্যবহারকে গুরুত্ব দিতে হবে।
মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—প্রশিক্ষণের ফলাফল শুধু প্রশিক্ষকের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে না। প্রশিক্ষণার্থীর আগ্রহ, অনুশীলনের মানসিকতা, শেখার পরিবেশ এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সহায়তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
একজন প্রশিক্ষক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করতে পারেন, হাতে-কলমে শেখাতে পারেন এবং প্রশিক্ষণার্থীর সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করতে পারেন। কিন্তু প্রশিক্ষণার্থী নিজে অনুশীলন না করলে কিংবা বিদ্যালয়ে ফিরে শেখা বিষয়গুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা না করলে প্রশিক্ষকের পক্ষে এককভাবে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
আবার প্রশিক্ষণার্থীর ব্যর্থতার সব দায়ও তাঁর ওপর চাপানো যায় না। বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকা, বিদ্যুৎ বা ইন্টারনেটের সমস্যা, প্রযুক্তিগত সহায়তার অভাব কিংবা অতিরিক্ত কর্মভার প্রশিক্ষণলব্ধ দক্ষতা প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
সুতরাং প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা বিচার করতে হলে ব্যক্তিগত আগ্রহ ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ—দুই দিকই বিবেচনায় নিতে হবে। প্রশিক্ষণার্থীর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁর কাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
শিক্ষক বাতায়নের উদ্দেশ্য কেবল সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি নয়; শিক্ষকদের মধ্যে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানের সংস্কৃতি গড়ে তোলাও এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
একজন শিক্ষক শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হলেন, সহকর্মীদেরও সদস্য হতে উৎসাহিত করলেন—এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু এর পরবর্তী কার্যক্রমই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি কি পাঠের উপযোগী কনটেন্ট তৈরি করছেন? অন্য শিক্ষকের তৈরি উপকরণ ব্যবহার করে পাঠদানকে সহজবোধ্য করছেন? নিজের অভিজ্ঞতা সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন? যাঁরা প্রযুক্তি ব্যবহারে পিছিয়ে আছেন, তাঁদের সহযোগিতা করছেন?
এসব প্রশ্নের উত্তরেই শিক্ষক বাতায়নে সম্পৃক্ততার প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হবে।
শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হওয়া যেমন শেষ লক্ষ্য নয়, তেমনি কনটেন্ট আপলোড করাও চূড়ান্ত সাফল্য নয়। কনটেন্টের শিক্ষামূল্য, পাঠের সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে তার কার্যকারিতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এখানে প্রশিক্ষণ ও শিক্ষক বাতায়নের মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলা জরুরি। প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষকরা মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন, আর শিক্ষক বাতায়নের মাধ্যমে সেগুলো অন্যদের সঙ্গে বিনিময় করতে পারেন। এর ফলে একই কাজ বারবার করার প্রয়োজন কমবে এবং শিক্ষকদের পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে।
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ক্ষেত্রে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস্তবতা এক নয়। কোথাও পর্যাপ্ত উপকরণ রয়েছে, কোথাও ঘাটতি রয়েছে; কোথাও প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুকূল পরিবেশ আছে, আবার কোথাও রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার অভাব রয়েছে।
তাই সব প্রতিষ্ঠানের কাছে একই ধরনের ফল প্রত্যাশা করা যুক্তিসংগত নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি সহায়তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে যেখানে উপকরণ রয়েছে, সেখানে সেগুলোর কার্যকর ব্যবহার হচ্ছে কি না, তাও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
প্রতিটি বিদ্যালয়ে একসঙ্গে সব শ্রেণিকক্ষকে মাল্টিমিডিয়া-সুবিধার আওতায় আনা সম্ভব না হলেও ধাপে ধাপে এক বা একাধিক শ্রেণিকক্ষকে উপযোগী করে তোলা যেতে পারে। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সামর্থ্য, শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও সরকারি সহায়তা বিবেচনায় এ ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব।
স্থায়ী মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ থাকলে শিক্ষকদের প্রতিদিন ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর বহন করার প্রয়োজন কমে। পাঠদানের প্রস্তুতি সহজ হয় এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি হয়।
এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তবে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থে উপকরণ কেনার ওপর নির্ভর না করে প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করাই অধিক যুক্তিসংগত।
আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—প্রযুক্তি ব্যবহারই মানসম্মত পাঠদানের নিশ্চয়তা নয়। পাঠের উদ্দেশ্য, শিক্ষার্থীর বয়স, বিষয়বস্তু ও শেখার প্রয়োজন বিবেচনায় প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হলে প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পরও কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। একজন শিক্ষক কী শিখলেন, কতটা দক্ষ হলেন, বিদ্যালয়ে ফিরে তা প্রয়োগ করতে পারছেন কি না এবং প্রয়োগে কী বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন—এসব বিষয়ে অনুসরণমূলক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
এ জন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ, সহকর্মীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, পাঠদান পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুনঃপ্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
প্রশিক্ষণার্থীদের কনটেন্ট তৈরির সক্ষমতা, পাঠ পরিকল্পনায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং শ্রেণিকক্ষে তার প্রয়োগ পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। তবে মূল্যায়ন যেন কেবল ত্রুটি খোঁজা বা শাস্তি দেওয়ার উপায় না হয়। এর উদ্দেশ্য হবে দক্ষতার ঘাটতি শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া এবং ভালো কাজের অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দেওয়া।
প্রশিক্ষকের কার্যকারিতা, প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সহায়তার ব্যবস্থাও একইভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ, প্রশিক্ষণার্থীর কাছ থেকে ফল প্রত্যাশা করা হলে প্রশিক্ষণব্যবস্থাকেও তার মান ও কার্যকারিতার প্রমাণ দিতে হবে।
শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, আবার সব দায় শিক্ষকের ওপর চাপিয়েও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।
সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব মানসম্মত প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করা। প্রশিক্ষকের দায়িত্ব কার্যকরভাবে দক্ষতা শেখানো। প্রশিক্ষণার্থীর দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে শেখা ও তা প্রয়োগ করা। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দায়িত্ব বিদ্যালয়ে সেই প্রয়োগের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা।
যেখানে সুযোগের অভাব রয়েছে, সেখানে সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। যেখানে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে, সেখানে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আর যেখানে প্রয়োজনীয় সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অর্জিত দক্ষতা প্রয়োগের উদ্যোগ নেই, সেখানে পেশাগত দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিয়ে আলোচনা জরুরি।
শিক্ষকতা কেবল একটি চাকরি নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের দায়িত্ব। তাই একজন শিক্ষক প্রশিক্ষণে যা শিখবেন, তার সুফল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করাই তাঁর পেশাগত অঙ্গীকারের অংশ।
দীর্ঘ এক যুগ মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থেকে আমার উপলব্ধি, প্রশিক্ষণ আয়োজন করা প্রয়োজন, কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রশিক্ষণের সুফল নিশ্চিত করা। প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নিয়ে আসা একটি ধাপ; তাঁকে দক্ষ করে তোলা এবং সেই দক্ষতা বাস্তবে প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করাই মূল লক্ষ্য।
প্রশিক্ষণ নিয়ে সম্মানী গ্রহণ, সনদ অর্জন কিংবা শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হওয়া—কোনোটিই নিজে নিজে শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন নিশ্চিত করে না। পরিবর্তন আসে শেখার আগ্রহ, দক্ষতার প্রয়োগ, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এবং জবাবদিহির সমন্বয়ে।
তাই এখন প্রয়োজন প্রশিক্ষণের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তার কার্যকারিতা নিশ্চিত করা। প্রশিক্ষণার্থীর অর্জিত দক্ষতা শ্রেণিকক্ষে কতটা কাজে লাগছে, শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন আসছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো কী ধরনের সহায়তা দিচ্ছে—এসব প্রশ্নকে প্রশিক্ষণ মূল্যায়নের কেন্দ্রে আনতে হবে।
প্রশিক্ষণের সাফল্য সনদে নয়, দক্ষতার প্রয়োগে; শিক্ষক বাতায়নের সাফল্য শুধু সদস্যসংখ্যায় নয়, শ্রেণিকক্ষের কার্যকর পরিবর্তনে।
রাষ্ট্রের অর্থে পরিচালিত প্রতিটি প্রশিক্ষণ একটি বিনিয়োগ। সেই বিনিয়োগের প্রকৃত সুফল তখনই নিশ্চিত হবে, যখন প্রশিক্ষণকক্ষে অর্জিত জ্ঞান বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ ও মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আতাউর রহমান আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
বানিজ্যিক কার্যালয়: সমবায় মার্কেট, কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার পৌরসভা, সিলেট থেকে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।
ই-মেইল: 𝐩𝐚𝐧𝐜𝐡𝐚𝐤𝐡𝐚𝐧𝐝𝐚𝐞𝐲𝐞@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦 মোবাইল নম্বর: ০১৭৯২৫৯৮১২৯