মামলার অভিযুক্তরা জামিনে: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার
সিলেটের বিয়ানীবাজারে ভিলেজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (ইউকে), বাংলাদেশ শাখার কোষাধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও ৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফেরায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।
আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবে বেলা ২টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাজী মোঃ বদরুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ৮নং তিলপাড়া ইউনিয়নের দাসউরা রজব গ্রামের বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে রমজান মাস উপলক্ষে গরিব মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য সংগৃহীত ৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা নিয়ে সাধারণ সভা থেকে ফেরার পথে তার উপর হামলা চালানো হয়। তিনি বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ, বিয়ানীবাজার পৌরসভা শাখার সভাপতি ও ইউনাইটেড ভিলেজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (ইউকে), বাংলাদেশ শাখার কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার অভিযোগ, পথরোধ করে ফেরদৌস আহমদ (৩২), জুবের আহমদ (৩০), হোসাইন আহমদ (২৪) ও ইয়াহিয়া আহমদ (২০)—পিতা মৃত সুয়াইবুর রহমান, সাং-দাসউরা, বিয়ানীবাজার—সহ কয়েকজন তাকে ও তার সহযাত্রী হাজী ফৈয়াজ আলীকে এলোপাথারি মারধর করে। একপর্যায়ে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি সরে গেলে আঘাতটি তার ডান চোখে লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।
তিনি আরও জানান, এ সময় তার সাথে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে নগদ ৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় তিনি ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১০; ধারা: ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড। সংবাদ সম্মেলনে তিনি মামলার এজহারের অনুলিপিও উপস্থাপন করেন।
হাজী বদরুল ইসলাম দাবি করেন, মামলা দায়েরের পরও তিনি প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি। উপরন্তু, গত বৃহস্পতিবার অভিযুক্তরা জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরে আসায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বদরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, এক কাজের মেয়েকে উত্যক্ত করার জের ধরে বিবাদীরা তার উপর হামলা করতে পারে। কারণ তিনি ওই ঘটনার সালিশ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, লুটকৃত অর্থ উদ্ধার, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঘটনার স্বাক্ষী হাজী ফৈয়াজ আলী, বিয়ানীবাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম শামিম, সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম, আবুল বাশার ও আশরাফুল ইসলাম।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আতাউর রহমান
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
বানিজ্যিক কার্যালয়: সমবায় মার্কেট, কলেজ রোড,
বিয়ানীবাজার পৌরসভা, সিলেট থেকে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।
ই-মেইল: 𝐩𝐚𝐧𝐜𝐡𝐚𝐤𝐡𝐚𝐧𝐝𝐚𝐞𝐲𝐞@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦 মোবাইল নম্বর: ০১৭৯২৫৯৮১২৯