৮০ নম্বর এমসিকিউ, ২০ নম্বর ভাইভা—যোগ্যতা ও মামলা বিবেচনায় কঠোরতা
পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক :
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী সপ্তাহে নতুন পরিপত্র জারি করতে যাচ্ছে। চলতি মাসেই অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে। নিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই এ পরিপত্র জারি করা হবে।
বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে এমসিকিউ পরীক্ষায় ৮০ নম্বর এবং মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় ২০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় নিয়োগ নীতিমালার খসড়া চূড়ান্তের সময় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, জনবল কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকলে কোনো প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। একইভাবে, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে বিচারাধীন বা চলমান ফৌজদারি মামলা থাকলেও তিনি নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন।
কর্মশালায় আরও জানানো হয়, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট, সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট এবং ইবতেদায়ি প্রধান পদে নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসি)।
সর্বশেষ এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্যপদের চাহিদা অনলাইনে এনটিআরসির কাছে পাঠাতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। লিখিত পরীক্ষার বিষয়বস্তু ও নম্বর বণ্টন নির্ধারণ করবে এনটিআরসি।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। পদভিত্তিক শূন্যপদের তিন গুণ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হবেন।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে শূন্য পদের সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি প্যানেল তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সব পরীক্ষায় কৃতকার্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এনটিআরসির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।
পরিপত্রের খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে শূন্য পদের বিপরীতে একজন করে প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থী শূন্যপদের চাহিদাজনিত বা প্রাতিষ্ঠানিক অন্যবিধ কারণে যোগদান করতে না পারলে, মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকার পরবর্তী প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ দেওয়া হবে।
এদিকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব আগের মতোই এনটিআরসির হাতে থাকছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগ সুপারিশের পূর্ণ দায়িত্ব এখন এনটিআরসিকে দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ—ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি—এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করবে বলেও খসড়া পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আতাউর রহমান
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
বানিজ্যিক কার্যালয়: সমবায় মার্কেট, কলেজ রোড,
বিয়ানীবাজার পৌরসভা, সিলেট থেকে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।
ই-মেইল: 𝐩𝐚𝐧𝐜𝐡𝐚𝐤𝐡𝐚𝐧𝐝𝐚𝐞𝐲𝐞@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦 মোবাইল নম্বর: ০১৭৯২৫৯৮১২৯