আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া অগ্নিমুখর কবিতা, গীত ও বাণী আজও আমাদের হৃদয়ে বেঁচে আছে বিদ্রোহী সাহসের প্রতীক হয়ে।
নজরুল ছিলেন কেবল একজন কবি নন—তিনি ছিলেন শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর, স্বাধীনতার দূত, সাম্যের অগ্নিশিখা। উপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর কলম হয়েছিল বজ্রধ্বনি। ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণির ভেদাভেদ অস্বীকার করে তিনি গেয়েছিলেন মানবতার জয়গান। তাঁর সৃষ্টিই প্রমাণ করে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের কণ্ঠ কখনও স্তব্ধ হয় না।
স্বাধীনতার সংগ্রামে নজরুলের কবিতা ও গান প্রজন্মের মনে জুগিয়েছে মুক্তির প্রেরণা। অথচ আজও সমাজে বৈষম্য, দুর্নীতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিষ দাঁত বসিয়ে আছে। নজরুলের ভাষায়— “মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”— আমরা কি সত্যিই এই মানবতাবোধকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি?
আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও সাম্যের বাণীকে কেবল আনুষ্ঠানিক স্মরণে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনে ধারণ করা। নতুন প্রজন্মের মাঝে জাগাতে হবে সেই দুঃসাহস, যে সাহসে নজরুল অন্যায়ের বিরুদ্ধে বজ্রনিনাদ উচ্চারণ করেছিলেন। তাহলেই হবে কবির প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা, তাহলেই তাঁর আদর্শে আলোকিত হবে আগামী বাংলাদেশ।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আতাউর রহমান
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
বানিজ্যিক কার্যালয়: সমবায় মার্কেট, কলেজ রোড,
বিয়ানীবাজার পৌরসভা, সিলেট থেকে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।
ই-মেইল: 𝐩𝐚𝐧𝐜𝐡𝐚𝐤𝐡𝐚𝐧𝐝𝐚𝐞𝐲𝐞@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦 মোবাইল নম্বর: ০১৭৯২৫৯৮১২৯