পঞ্চখণ্ড আই প্রতিবেদক :
দেশের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) শুধু প্রশাসনের প্রধানই নন, বিভিন্ন সরকারি কমিটিরও প্রধান বা সদস্য সচিব। একেক ইউএনওর অধীনে গড়ে ১৫০টির বেশি এবং একেক ডিসির অধীনে প্রায় ৩০০–৪০০ কমিটি রয়েছে। তবে জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের কাছে এসব কমিটির সঠিক সংখ্যা বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা নেই।
নতুন করে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিত্বে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়োগের পর বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে। কর্মকর্তাদের প্রশ্ন—আর কত কমিটির দায়িত্ব পালন করতে হবে? সীমিত জনবল দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য সভা ও দায়িত্ব সামলাতে তাদের হিমশিম খেতে হয়।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিসি-ইউএনওদের দায়িত্ব পালনে জনগণের আস্থা থাকায় সরকার তাদের ওপরই এসব দায়িত্ব চাপায়। দুর্নীতি পুরোপুরি রোধ না হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে সাধারণ মানুষও এ ব্যবস্থাকে গ্রহণ করে।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এসব কমিটির পরিধি বিশাল। আইনশৃঙ্খলা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, চোরাচালান নিরোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, হাটবাজার ইজারা, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, মানব পাচার প্রতিরোধ, আশ্রয়ণ প্রকল্প, পুষ্টি সমন্বয়, শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ— এমন শতাধিক খাতেই রয়েছে আলাদা কমিটি।
অনেক কমিটির সভা নিয়মিত হলেও কিছু কমিটির কার্যক্রম ঘটনাভিত্তিক। সরকারি কাজের বাইরে এ দায়িত্বগুলোকে বাড়তি বোঝা মনে না করলেও কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন—মাত্র পাঁচ-ছয়জন সহকর্মী নিয়ে এত কমিটি চালানো কঠিন।
সাবেক জেলা প্রশাসকদের ভাষায়, “আমরা চাকরি নয়, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করি। ২৪ ঘণ্টা ব্যস্ত থাকতে হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকলেও তা পালনের জন্য কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আতাউর রহমান
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
বানিজ্যিক কার্যালয়: সমবায় মার্কেট, কলেজ রোড,
বিয়ানীবাজার পৌরসভা, সিলেট থেকে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।
ই-মেইল: 𝐩𝐚𝐧𝐜𝐡𝐚𝐤𝐡𝐚𝐧𝐝𝐚𝐞𝐲𝐞@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦 মোবাইল নম্বর: ০১৭৯২৫৯৮১২৯