শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মডেল মসজিদ বাস্তবায়ন নাগরিক উদ্যোগের এক মাসের অর্জন ও অগ্রগতি পোড়া রোগীর চিকিৎসায় দক্ষতা বাড়াতে চীন সফরে ডা. আবু ইসহাক আজাদ রূপকের দশটি শিক্ষা: একজন বাবার রেখে যাওয়া নৈতিক উত্তরাধিকার শিকড়ের টানে আশেক আহমদ আসুক—শিক্ষার অগ্রযাত্রায় অনন্য অবদান যার যোগ্যতা নেই, সে কেন যোগ্যতার আসনে? দুই মামলায় কারাগারে পল্লব: বিয়ানীবাজারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানকে জেলহাজতে পাঠালেন আদালত মানুষ : নিজের কাছেই পরাধীন বিয়ানীবাজারে তালামীযে ইসলামিয়ার ২০২৬-২৭ সেশনের কাউন্সিল সম্পন্ন বাটেরা থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব: সরাসরি সিলেট আদালতে তোলা হচ্ছে!  বিয়ানীবাজার মডেল মসজিদের দুই প্রস্তাবিত স্থানই গাইডলাইন অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে যাচাই হবে: জেলা প্রশাসক

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের বিষয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৪২ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক : স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন-পৌরসভার মতো অপসারিত হচ্ছেন না ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা। টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্বরতরাই পদে থাকছেন। প্রাথমিকভাবে প্রশাসক নিয়োগের কথা হলেও সাড়ে ৬৯ হাজার চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত সদস্যের বিকল্প সরকারি কর্মকর্তা পাচ্ছে না মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চার হাজার ৫৭১ জন। মেম্বার বা সদস্য ৪১ হাজার ১৩৯। আর ১৩ হাজার ৭১৩ জন সংরক্ষিত সদস্য।

আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে ইউপিতে অনুপস্থিত ছিল এক হাজার ৪১৬ চেয়ারম্যান। এর মধ্যে অনেকে যোগদান করায় সাড়ে ৩০০ ইউপি এখন পরিচালিত হচ্ছে প্রশাসক বা কমিটির মাধ্যমে।

তবে সাড়ে ৬৯ হাজার চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত সদস্যের বিকল্প সরকারি কর্মকর্তা পাচ্ছে না মন্ত্রণালয়। সব ইউপিতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে হলে ৫৪ হাজারের মতো সরকারি কর্মকর্তা প্রয়োজন। যা বাস্তবে কঠিন হওয়ায় ইউপির জনপ্রতিনিধিদের বহাল রাখার পথে হাঁটছে সরকার।

বাস্তবতা স্বীকার করে সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ বলেন, সাড়ে ৩০০ মতো ইউপিতে দায়িত্বশীল কেউ ছিল না। সেখানে প্রশাসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। বাতিল করলে গ্রাম পর্যায়ে সেবাপ্রাপ্তিতে ধাক্কা লাগবে। কেননা, একটি গ্রাম নিয়েও ওয়ার্ড গঠিত। সেজন্য ইউপি ভেঙে দিয়ে গ্রাম পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেওয়ায় ব্যাঘাত হোক সেটি চায় না সরকার। তিনি বলেন, আপাতত প্রশাসক পরিচালিত সিটি-পৌরসভা-উপজেলা ও জেলা পরিষদে নির্বাচনের কোনো পরিকল্পনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে নির্বাচন কখন হবে। নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে আগে। তাছাড়া সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কিনা, তা নিয়ে এখনো পরিকল্পনা করেনি অন্তর্বর্তী সরকার।

এলজিআরডি উপদেষ্টা বলেন, প্রশাসক পরিচালিত হলেও স্থানীয় সরকারের সেবা নিশ্চিতে কোনো ছাড় দেবে না মন্ত্রণালয়।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews