শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রবাসফেরত যুবকের মৃত্যু এপেক্স ক্লাব অব জুড়ী ভ্যালির ১৭তম পালাবদল অনুষ্ঠিত বক্তৃতা আর হুমকির ঘোরপাকে জাতি কি এগিয়ে যাবে? বাগিরঘাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী বিলাল উদ্দিন আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান আহবাবুর রহমান শিশু সাময়িক বরখাস্ত বিয়ানীবাজারে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ চিত্র বিয়ানীবাজার পৌরসভা: জনআকাঙ্ক্ষা ও আগামীর নেতৃত্বের প্রত্যাশা বেইজিংয়ে তারেক রহমান: আলোচনায় তিস্তা ও বিনিয়োগ সহযোগিতার উদ্যোগ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ বিয়ানীবাজারবাসী পেনশন সেবায় ডিজিটাল যুগের সূচনা: চালু হলো ওপিটিএমএস

ভ্রমণ ও সেনজেন ভিসায় পর্তুগালে অভিবাসন সুবিধা বন্ধ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪
  • ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক : ভ্রমণ ভিসা কিংবা সেনজেন ভিসার সুযোগ নিয়ে পর্তুগালে এসে অভিবাসন সুবিধা নেয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে সেই দেশটির সরকার।
নতুন নীতিমালায় অভিবাসন ইস্যুতে ৪১টি প্রস্তাব কাউন্সিলর মিনিস্টাররা পাশ করার পর সোমবার (০৩ জুন) রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের জন্য তা পাঠানো হয়। পাঠানোর ঠিক ৩ ঘণ্টার মধ্যেই স্বাক্ষর করে দেন রাষ্ট্রপতি।

দেশটির গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রো বলেছেন, পর্তুগালের দরজা বন্ধ হচ্ছে না। তবে যেরকম অরক্ষিত ছিলো এখন আর সেরকম থাকবে না। ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় পর্তুগাল আসা যাবে, তবে থাকতে হবে কাজের কন্ট্রাক্ট ও আবাসনের নিশ্চয়তা। চাকরি বা নিয়োগ দেয়া কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কড়া নির্দেশনা দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী।

পর্তুগালে এতদিন ভ্রমণ ভিসায় কিংবা অন্য যে কোনোভাবে গিয়ে কাজের চুক্তি করলে তুলনামূলক ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় সহজে মিলতো বৈধ হওয়ার সুযোগ। এ কারণে ইউরোপের অভিবাসন প্রত্যাশীদের ভিড় পর্তুগালে সব সময়েই লেগে থাকতো। পর্তুগালে বর্তমানে প্রায় অর্ধ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস।

অন্যদিকে বাংলাদেশিরাও ইউরোপের এই দেশটিতে যাচ্ছে সহজে নাগরিকত্ব পাওয়ার আশায়। তবে ইতোমধ্যেই যারা বৈধ হওয়ার জন্য অভিবাসন ও ইমিগ্রেশন সংস্থায় সেফ এন্ট্রি করে ফেলেছেন তাদের আতঙ্কিত বা চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন পর্তুগালে বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এসোসিয়েশন।

সংগঠনটি জানিয়েছে, যারা সেফ এন্ট্রি করেছেন তাদের কার্যক্রম আগের নিয়মেই চলমান থাকবে। বর্তমানে পর্তুগালে অতিরিক্ত অভিবাসী প্রত্যাশী হওয়ায় বাসস্থান ও কর্মসংস্থান সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়াও অভিবাসন বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু চাপও রয়েছে দেশটিতে। বেশ কিছু কারণে দেশটির নতুন সরকার অভিবাসন নীতিমালায় এই পরিবর্তন আনছে।

নতুন এ প্রস্তাবে অদক্ষ কর্মীর পরিবর্তে মেধাবী শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন খাতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভোগান্তি কমবে পর্তুগালে বসবাসরত নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের পর্তুগাল আসাসহ অন্যান্য ইস্যুতেও। সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশে থাকা পর্তুগালের কনস্যুলেটগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়টিও উঠে এসেছে নতুন প্রস্তাবে।

ইউরোপের অন্য দেশের ভিসা নিয়ে পর্তুগাল এসে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করতে পারবে না শিক্ষার্থীরা। তবে নিজ দেশে পর্তুগীজ কনস্যুলেট থেকে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আসা যাবে। নতুন এ প্রস্তাবে-সুযোগ বাড়বে পর্তুগিজ ভাষাভাষী বা সিপিএলপি দেশের অভিবাসীদের। সিপিএলপি দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা হচ্ছে বৃত্তির ব্যবস্থাও। পড়াশোনা শেষ না করে কোন শিক্ষার্থী রেসিডেন্স স্ট্যাটাস চেঞ্জ করতে পারবে না এমন বিষয়ও রয়েছে নতুন প্রস্তাবে।

এদিকে, এরইমধ্যে বৈধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকা অভিবাসীদের কাছ থেকে ৩০ মিলিয়ন ইউরো সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা করেছে পর্তুগালের অভিবাসন সংস্থা আইমা। এখনো ৪ লাখের বেশি আবেদনের নিষ্পত্তি করতে কাজ করছে সংস্থাটি। দ্রুত এসব আবেদনের নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews